জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশের পরিস্থিতি শীর্ষক আলোচনা সভা ও শহীদ স্মরণে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন।

জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশের পরিস্থিতি শীর্ষক আলোচনা সভা ও শহীদ স্মরণে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন।

নিজস্ব প্রতিবেদক,গাইবান্ধা।

আজ সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ১৩ নং শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদ শহীদ মিনার চত্বরে অনুষ্ঠিত হয় ‘জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশের পরিস্থিতি’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা।
বিপ্লবী ছাত্র আন্দোলনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রুদ্র নীল।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের সাম্যবাদী আন্দোলনের গাইবান্ধা জেলা পাঠচক্র ফোরামের সম্মানিত সদস্য কমরেড ওয়ারেস মন্ডল রাঙ্গা।
বক্তারা বলেন, “২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান ছিল দেশের ইতিহাসে এক সাহসী ও গণমুখী অভ্যুত্থান, যা একনায়কতান্ত্রিক শাসনের অবসান ঘটিয়েছে। কিন্তু সেই অভ্যুত্থানের এক বছর পেরিয়ে গেলেও দেশে গণতন্ত্র এখনো প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়নি। চাঁদাবাজি, ধর্ষণ, দলীয়করণ, এবং বিদেশি প্রভাব- হস্তক্ষেপ এখনো আমাদের জাতীয় জীবনে গভীর সংকট তৈরি করছে।”

তারা আরও বলেন, “আমরা যে রক্তের বিনিময়ে এই পরিবর্তন এনেছি, সেই রক্তের মর্যাদা দিতে হলে, আমাদের সাম্যবাদী রাজনৈতিক নৈতিকতা গড়ে তুলতে হবে—যেখানে শোষণ, দুর্নীতি ও দমনমূলক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিদিনের প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। বৈষম্যহীন সাম্যবাদী সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সকলকে বিপ্লবী চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। চলমান খুন সন্ত্রাস ধর্ষণ এর প্রতিবাদের আগুন শহর থেকে গ্রাম সর্বস্তরে পৌঁছে দিতে হবে।”

আলোচনা সভা শেষে জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে শহীদ মিনারে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হয়। শ্রদ্ধা জানানো হয় অভ্যুত্থানের সেই সাহসী শহীদদের প্রতি, যাঁদের আত্মত্যাগ আজও দেশের বিবেককে নাড়া দেয়।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *