ঈদের আনন্দে শরিক হোক বঞ্চিত শিশুরা – এসো গড়ি ফাউন্ডেশন

ঈদের আনন্দে শরিক হোক বঞ্চিত শিশুরা – এসো গড়ি ফাউন্ডেশন

১৯-০৪-২০২৩

সমাজের সকল শিশুর স্বপ্ন থাকে তারা যেন ভালোভাবে আনন্দের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে পারে। কিন্তু, দু:খজনক হলেও সত্য সবার সেই সৌভাগ্য হয় না। আর এই কারণেই সমাজের বঞ্চিত শিশুদের পাশে রাষ্ট্র ও সমাজের বৃত্তবানদের দাড়ানো উচিত। সমাজের বঞ্চিত শিশুদের ঈদের আনন্দের ভাগ দিতেই “এসো গড়ি ফাউন্ডেশন” সংগঠনের পক্ষ থেকে অসহায় শিশুদের মাঝে ঈদের নতুন পোশাক এবং খাদ্য সামগ্রী বিতরন করেছে।

বুধবার (১৯ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় রাজধানীর খিলগাও স্কুল মাঠে দেড় শতাধিক শিশুদের মাঝে নতুন পোশাক এবং ঈদের খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হয় “এসো গড়ি ফাউন্ডেশন” এর পক্ষ থেকে।

আমিন মোহাম্মদের পরিচালনায় সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা রায়হান আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন – সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট মোহাম্মদ অলিদ সিদ্দিকী তালুকদার , বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, সংগঠনের সদস্য আহমেদ আল ইমরান, শুয়াইবুর রহমান, মো: রাকিবুল ইসলাম, মো: আবির ও শাহাদাত হোসাইন প্রমুখ।

এসময় প্রধান অতিথি বক্তব্য মোহাম্মদ অলিদ তালুকদার বলেন, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের ক্ষেত্রে ঈদ সবসময় আনন্দ নিয়ে আসে না। তাদেরও হয়ত ইচ্ছে করে ঘুরে বেড়াতে, পার্কে যেতে কিংবা নতুন পোশাক পরতে। এই শিশুদের দেখলে সকলের কষ্ট হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, এসো গড়ি ফাউন্ডেশনের যখনই কোনো সুবিধাবঞ্চিত শিশুর সঙ্গে কথা বলার সুযোগ হয় তখনি তাদের সঙ্গে মিশে যায় তারা। নানা বিষয়ে জানার চেষ্টা করে। চেষ্টা করে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে।

বিশেষ অতিথি এম গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া বলেন, আমরা এমন এক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি যেখানে প্রতিটি শিশু ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে পারবে সমানভাবে। শুধু ঈদ কেন, যে কেনো উৎসবই তাদের কাছে ধরা দিবে আনন্দ হয়ে।

তিনি বলেন, ঈদের খুশি হয়তবা শিশুদেরই সবচেয়ে বেশী, আর ঈদের খুশি মানেই ঈদে নতুন কাপড়। কিন্তু এই শিশুদের হয়তবা সাধ্য নেই সাধ থাকলেও। আমরা চাই ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে যাক সবার মাঝে। হেসে উঠুক পথের ধারের শিশুটিও। আনন্দ হোক সার্বজনীন। তাই এই অসহায় শিশুদের মুখে একটু হাসি ফোটানোর জন্য এসো গড়ি ফাউন্ডেশন উদ্যোগ নিয়েছে পথশিশু ও অসহায় শিশুদের মাঝে ঈদ বস্ত্র বিতরণের।

প্রসঙ্গত, এসো গড়ি ফাউন্ডেশন প্রতিবছর দুই ঈদ ছাড়াও বছরের বিভিন্ন সময় পথশিশুদের পাশে এসে দাড়ায়।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *