সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার-আবুল বাসার:
শীত আসলেই আলোচনায় আসে কুমড়ো বড়ির গ্রাম নামে পরিচিত নাটোরের সিংড়া উপজেলার ঐতিহাসিক কলম ইউনিয়নের পুন্ডরী গ্রামের কথা ।
যে গ্রামের নারীরা কুমড়ো বড়ি তৈরী করে স্বাবলম্বীর পথ খুঁজে পেয়েছেন। উন্নত করেছেন, জীবন যাত্রার মান। তাদের সংসারের প্রধান উৎসই এখন কুমড়ো বড়ি।
পুন্ডরী গ্রামের নারী উদ্যোক্তা রাশেদা, নুরজাহান, কাজলী সহ ৮ নারী উদ্যোক্তা এলাকার আলোচিত নাম। প্রতি দিন দুই শত কেজি থেকে আড়াই শত কেজির কুমড়ো বড়ি তৈরী হয় এই পুন্ডরী গ্রামে। এর মধ্যে রাশেদা বেগম একাই তৈরি করেন ৫০ থেকে ৬০ কেজির কুমড়ো বড়ি তৈরীর কাজ।
রাশেদা আরো জানান, এ কুমড়ো বড়ি তৈরি করে আমার সংসারে সচ্ছলতা ফিরে এসেছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে অনেক ব্যবসায়ীরা কুমড়ো বড়ি ক্রয় করতে আসে আমার বাসায়। পাইকারি দরে ব্যবসায়ীদের কাছে ৭০-৮০ টাকা কেজি হিসেবে বিক্রি করে থাকি।
হাটে বাজারে কুমড়ো বড়ির খুচরা মূল্য ১২০ থেকে ১৫০টাকা।
রাশেদা আরও উল্লেখ করে বলেন, এক সময় আমরা না খেয়ে দিনাতিপাত করেছি। বাচ্চাদের পড়ালেখার খরচ বহন করতে পারতাম না, চলার পথ ছিল না সংসারে।
বর্তমানে কুমড়ো বড়ির ব্যবসায় আমার সংসারে সচ্ছলতা ফিরে এসেছে।
তিনি আরো বলেন, সরকারিভাবে সুযোগ-সুবিধা পেলে আরও অনেক বেশি কুমড়ি বড়ি তৈরি করতে পারব যা সারাদেশে সরবরাহ করতে পারবো।
Leave a Reply