সন্ধ্যা হয়ে এল-কেমন করে সন্ধ্যা হয়ে এল টের পেলাম না,জীবনের সন্ধ্যা ,আমার পৃথিবীর সন্ধ্যা ,আজ নিভু নিভু ফিকে আলোয়অনুভব করছি আমার জীবনের সায়ান্য । মনে পড়ে ফেলে আসা জীবনটা-সেই ছেলেবেলার
ফিরে এসো, আরেকবার মূঠো ভর্তি রুপালী আলোশীতের দুপুরের ধপধপেনির্জন ফর্সা রোদসবকিছু দু’হাতের মূঠোয় পুরেঅপেক্ষায় আছি তোমার। তোমাকে দেখেছিলাম এক সোমবারেএর পর সময় উড়েছে নিযুত প্রহরে।তুমি আসোনিকো আর। তুমি আমার উপাসনাএকই
মানুষ বড়ো অদ্ভুত!~~~ মানুষ বড়ো অদ্ভুত, নিজেকে জানে না!যেটুকু নিজেকে জানে, সেটুকু মানে না। জীবনাবসান হয় নিজ মন জানতেসে কথাটা আবার সে পারে না যে মানতে। অন্যের কাছে যা চায়,
ছি : এ আর রহমান এ আর রহমানযিনি রাখেননি সুরের সম্মানযখন বিকৃতি ঘটায় কোন কৃতিমানঅপ্রত্যাশিত অনাকাঙখিত সৃষ্টিতেতখন তা কেবলি অপকর্ম বিব্রত অবধানযেমন বিদ্রোহী কবির সাড়া জাগানো‘কারার ঐ লৌহ কপাট’ সংগীতেরপ্রতিষ্ঠিত
কোকিলমোঃ মানিক।তারিখ ২১/১১/২০২৩খ্রিঃ। দূর পাহাড়ে মেঘের মেলাপরান ভইরা চাইআমি যে তার মনের পাখিকেমনে উইরা যাই। সে আমায় করে যতনভালোবাসে মনের মতনতবুও রাখে মন পিঞ্জিরায়ধৈর্য না হাড়াই। আমি যেতার মনের পাখিকেমনে
মধুর প্রতিবেশী।মোঃ মানিক ভোর হলে মধুর সুরে মোর।চোখ বুলিয়ে যাও আমিনিশ্চুপ হয়ে শুনছি তোমারকবিতার ঝনঝনি। টুন টুন করে গেয়ে যাওমধুর ছন্দ,ভালোই লাগে যাই হোকনাতোমার ভালো মন্দ। ভোর হলেই যদি নাই
নদীর পাশে মোর ঘর।মাসুম বিল্লাহ। ঐ খানে মোর নদীর তীরে,ছোট্ট একটা ঘর।সেখানে আমি বাস করি,সারা জীবন ভর। উত্তাল ঢেউয়ে ভেঙে গেলো,আমার ছোট ঘর।দুই নয়নে ভাসিয়ে দিলো,নয়ন ভরা জল। নদীর তীরে
মানুষ কতো কী শিখে যায় মানুষ কতো কী শিখে যায়?এই তো সেদিনের কথা— ছোটবেলা হাঁটতে পারতাম না।মা ধরিয়ে ধরিয়ে হাঁটাতো, অথচ এখন আমিপুরোদস্তুর হাঁটতে পারি।মা’র কথা আর মনেই পড়ে না।এখন
শুভ সকাল রাজীব কুমার দাশ। লেখক হোমিংওয়ে আপাদমস্তকএকজন প্রেমিক পুরুষ ছিলেন।রাণ্ডীবাজ ছিলেন না। নারীপ্রেম ছিলো তাঁর কাছে যেমন লেখালেখির প্রেরণা শিল্পিত শিহরণঅপরদিকে বিষাদের কালনাগিনীসর্বগ্রাসী প্রলয়ের শঙ্খধ্বনি মহাকাল। পুরুষ হলেও যেমন
মরছি শুধুইসুরঞ্জীৎ মণ্ডল কবিতারা সব হারিয়ে গেছেরূপসা নদীর জলে,হাত ইশারায় ডাকছে শুধুমুগ্ধ ঢেউয়ের ছলে! আমি শুধুই ফেলছি পালাজুক রোদে এলিয়ে গা,নতুন ধানে বুনে শিশিরস্বপন জুড়ে দিচ্ছি তা। সে কেবল হাসছে