দশ তরুণ চেঞ্জমেকারকে সম্মানিত করল জেসিআই বাংলাদেশ

দশ তরুণ চেঞ্জমেকারকে সম্মানিত করল জেসিআই বাংলাদেশ

 

মানবিক নেতৃত্ব, উদ্যোক্তা সাফল্য, সংস্কৃতি, শিক্ষা, ক্রীড়া ও সমাজ উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ১০ তরুণ চেঞ্জমেকারকে সম্মানিত করেছে জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল (জেসিআই) বাংলাদেশ। শনিবার রাজধানীর র‍্যাডিসন ব্লু হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে আয়োজিত ‘টেন আউটস্ট্যান্ডিং ইয়াং পারসনস (টিওওয়াইপি) অব বাংলাদেশ ২০২৬’ গালা অনুষ্ঠানে তাঁদের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

 

বায়োবিল্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের প্রেজেন্টিং স্পনসরশিপ এবং রিদমের সহযোগিতায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে তরুণদের সাফল্য, নেতৃত্বের সক্ষমতা এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন সৃষ্টিতে তাঁদের অবদান উদ্‌যাপন করা হয়। দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণে তরুণদের সৃজনশীল উদ্যোগ, দায়িত্বশীল নেতৃত্ব ও উদ্ভাবনী চিন্তার গুরুত্ব তুলে ধরাই ছিল এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলি। এ ছাড়া বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং জেসিআই বাংলাদেশের সদস্যরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

 

অনুষ্ঠানে জেসিআই বাংলাদেশের ২০২৬ সালের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট আরেফিন রাফি আহমেদ অতিথি ও পুরস্কারপ্রাপ্তদের স্বাগত জানান। আয়োজনের উপদেষ্টা এরফান হক এবং ইভেন্ট ডিরেক্টর শেখ মতিউর রহমান ও জাফির শাফি অনুষ্ঠানের সফল বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর সম্মাননা পেয়েছেন ১০ জন তরুণ-তরুণী। তাঁরা হলেন—

 

১. ডা. সুনসিলা জাবরিন প্রিয়াঙ্কা, এমপি— মানবিক নেতৃত্বে অসামান্য অবদান।

 

২. মোহাম্মদ মহসিন— নৈতিক নেতৃত্বে অসামান্য অবদান।

 

৩. সামানজার সাঈদ— সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদান।

 

৪. আমিদ সাকিফ খান— ব্যবসায়িক সাফল্যে অসামান্য অবদান।

 

৫. লিসা সাহা— একাডেমিক নেতৃত্বে অসামান্য অবদান।

 

৬. কাজী আশিকুর রাসুল— উদ্যোক্তা হিসেবে অসামান্য সাফল্য।

 

৭. মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম— স্বেচ্ছাসেবামূলক নেতৃত্বে অসামান্য অবদান।

 

৮. আফেইদা খন্দকার— ক্রীড়াক্ষেত্রে অসামান্য অবদান।

 

৯. মো. রাসেল বিন আহাদ— অর্থনৈতিক উন্নয়নে অসামান্য অবদান।

 

১০. আফসান আরা বিন্দু— ব্যক্তিগত সাফল্যে অসামান্য অবদান।

 

অনুষ্ঠানের সিলভার স্পনসর হিসেবে ছিল স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, কার্টিভেল, মিউচুয়াল লজিস্টিকস সলিউশন, ইংলিশ থেরাপি, সেভেন সিজ শিপিং লাইনস, ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল এবং রেড কার্পেট।

 

এ ছাড়া সিঙ্গুলারিটি লিমিটেড ক্রিয়েটিভ পার্টনার, ক্রিমসন কাপ কফি পার্টনার, ক্রাফটিমান গিফট পার্টনার, জেফির ও ল্যামবার্ট রিফ্রেশমেন্ট পার্টনার এবং হারমিজন ফ্যাশন পার্টনার হিসেবে সহযোগিতা করেছে।

 

জেসিআই বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সংগঠন জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনালের (জেসিআই) একটি অংশ। বৈশ্বিক এ সংগঠনটি তরুণদের নেতৃত্বের বিকাশ, সামাজিক সম্পৃক্ততা ও সক্রিয় নাগরিকত্বে উৎসাহিত করার মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে কাজ করে। টিওওয়াইপি সম্মাননার মাধ্যমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা তরুণদের স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে নেতৃত্ব, উদ্ভাবন ও জনকল্যাণমূলক কাজে অনুপ্রাণিত করার উদ্যোগ নিয়েছে সংগঠনটি।

প্রতিনিধি: মাহমুদুল হাসান, ঢাকা

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *