1. adminbackup@wordpress.org : adminbackup :
  2. info239@noreply0.com : aidanowen52044 :
  3. pszxbqua@oonmail.com : angelastine3 :
  4. ashelyculver@poochta.ru : ashelyculver8 :
  5. hthvlixr@mailkv.com : charlene45s :
  6. liubomir8745@gmail.com : creatanlije :
  7. sirazul2664@gmail.com : dakhinbongonews : দক্ষিণবঙ্গনিউজ ২৫.কম
  8. diarly@teml.net : diarly@teml.net :
  9. gisdosmh@mailkv.com : hassanrude7 :
  10. jordozognu@gufum.com : jordozognu :
  11. Nadiburipaji@gmail.com : Nadia :
  12. nola_partee@poochta.ru : nolapartee02 :
  13. pamalaisom@spacemaiil.ru : pamalaisom4 :
  14. patty_pokorny.8035@smass.store : pattypokorny7 :
  15. Shahneowanalam@gmail.com : Shahneowaj :
  16. Shahneowajalamkb@gmail.com : Shahneowajalam :
  17. shibuojha1997@gmail.com : shibu ojha :
  18. tara_benedict@poochta.ru : tarabenedict882 :
  19. vilma.ontiveros@poochta.ru : vilmaontiveros :
  20. fullermichaelsen980@kingsemails.com : wintermargin47 :
লেখক শরীফ শেখ এর লেখা -এন্টিলোপ ও পাহাড়ি মোরগ ভোজন - dakhinbongonews25
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০২:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ধাওয়া ইউনিয়নে বিএনপি র একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী জমে উঠেছে নির্বাচনী মাঠ। ভান্ডারিয়ায় ৪নং ইকড়ি ইউপি নির্বাচনে জনগণের আস্থার প্রতীক এস এম এ আলীম  জনস্বার্থে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিল করুন : বাংলাদেশ ন্যাপ গণঅধিকার পরিষদ পাবনা জেলা কমিটির অনুমোদন ‎গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, অধিকার ও জাতীয়স্বার্থ স্লোগানের সংগঠন “গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) পাবনা জেলা শাখা কমিটি ঘোষণা করা হয়। ‎ ফারাক্কা বাংলাদেশের মত ভারতের জন্যও অভিশাপে পরিনত হয়েছে : গোলাম মোস্তফা আসন্ন রামপাল ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হবেন মোহাম্মদ হোসেন পুস্তি সরিকল ইউনিয়নকে আদর্শ ইউপিতে রুপান্তর করতে চেয়ারম্যান হতে চান মিরন ৫ নং ধাওয়া ইউনিয়নে জনপ্রিয়তার শীর্ষে ছাএনেতা মোহাম্মদ সম্রাট সিকদার। ৫ নং ধাওয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিশিষ্ট আইনজীবী ও তরুণ সংগঠক মোহাম্মদ সম্রাট সিকদার  ইকড়ি ইউনিয়নে পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে, আলোচনায় শীর্ষে এস.এম.এ আলীম
বিজ্ঞাপন
★বইমেলা-২০২৬★ বইমেলার ২০২৬ উপলক্ষে আমাদের প্রস্তুতি বেশ ভালো, অনেকগুলো নতুন পাণ্ডুলিপির কাজও চলমান। সম্মানীত লেখকদের বলছি, আগামী বইমেলার জন্য লেখা প্রস্তুতের এখনই উপযুক্ত সময়। কেন বলছি? কারণ পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করলে নির্ভুল সম্পাদনা, পাঠকপ্রিয় ও মানসম্মত বই প্রকাশের সুযোগ থাকে বেশি। তাই পাণ্ডুলিপি নির্বাচন ও প্রস্তুতের এখনি উপযুক্ত সময়। মনে রাখবেন, পাণ্ডুলিপি ২৫টি ধাপ পেরিয়ে পর্যায়ক্রমে একটি বই হয়। তাই মানমম্মত বই প্রকাশ করতে হলে যথেষ্ঠ সময়েরও প্রয়োজন। আগামী বইমেলায় সপ্তর্ষি প্রকাশন এর সাথে যারা যুক্ত হতে চান তারা যোগাযোগ করতে পারেন। ধন্যবাদ। Shibu Chandra Ojha প্রকাশক, সপ্তর্ষি - Saptarshi ৩৭/১ খান প্লাজা, তৃতীয় তলা, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০ ফোনঃ 01714225520/01712158340 হোয়াটস অ্যাপ -01318403248 ই-মেল:shibuvgco@gmail.com

লেখক শরীফ শেখ এর লেখা -এন্টিলোপ ও পাহাড়ি মোরগ ভোজন

  • সর্বশেষ আপডেট মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২৬২ বার দেখা হয়েছে

এন্টিলোপ ও পাহাড়ি মোরগ ভোজন

কুড়িটি জেলাবিশিষ্ট ভূটানে রয়েছে ২৬টি ভাষা, আগেই বলেছি তা। ভূটানিজরা এবং ভূটানকে ভালবেসে ও একইসাথে ভূটানিজ সরকারকে খুশি করবার জন্য ভূটানে বসবাসরত শাদা চামড়ার লোকেরা ভূটানকে পৃথিবীর শেষ সাংগ্রী-লা (The Last Shangri-La) বলে অভিহিত করে থাকে। পাঠক, আপনাদের কেউ হয়তো প্রশ্ন করতে পারেন, সাংগ্রী-লা আবার কী বস্তু? তবে বলছি, এটাও ভূটানের জাতীয় প্রতীক বজ্র-ড্রাগনের মতই। একটা কল্পিত স্থান, পৃথিবীর হিমালয়ান অঞ্চলের কোনো পাহাড়ি এলাকা যেটি পৃথিবীর কোলাহল থেকে বাইরে স্বর্গসম নিভৃতপল্লী, যেখানকার মানুষেরা শতবর্ষী সবাই, আর রোগ ব্যাধি যেখানে নেই, আছে শুধুই সুন্দরের লীলা ।

কল্পিত হোক, আর যাই হোক, সাংগ্রী-লা হোক আর নাই হোক, ভূটানিজরা গ্রস হ্যাপিনেস ইনডেক্স এর চর্চা করে, আমাদের মতো গ্রস ডমেস্টিক প্রডাক্ট নিয়ে তাদের মাথা ব্যথা তেমন নেই। প্রকৃতিকে প্রকৃতির মতো করে সাজিয়ে রাখতে তারা বদ্ধপরিকর। তো এসব কারণে এবং যেহেতু, এরা প্রকৃত বুদ্ধিস্ট, অর্থাৎ বার্মিজদের মতো রোহিঙ্গা হত্যাকারী বুদ্ধিস্ট নয় বা চীনাদের মত উইঘুর হত্যাকারী বুদ্ধিস্ট নয়, সেহেতু তাদের ভূখণ্ডে সরকারিভাবে হত্যা বা কিলিং বা স্লটারিং নিষিদ্ধ। পশু হত্যা তাই কুরবানীর জন্য হোক, আর পাঠাবলির জন্য হোক, করতে পারবেন না। প্রশ্ন করতে পারেন, তাহলে ভূটানিরা কি মাছ-মাংশ কিছু খায় না? উত্তর হলো, খায়। সবই খায়। একটু ঘুরিয়ে খায়।
আমাদের ভূটানিজ ফরেন মিনিস্ট্রির বা অন্য ক্লোজ বন্ধুদের আমরা দুষ্টামি করে বলতাম, তোমরা খাও ঠিকই, কিন্তু ঘুরিয়ে খাও। আমরা ডানহাতে খাবারের লোকমা নিয়ে সরাসরি সামনের দিকে মুখে পুরে দেই, আর তোমরা কী কর? তোমরা বাম হাত দিয়ে তুলে ডান হাতে নাও, তারপর ঘাড়ের পেছন দিক ঘুরিয়ে মুখে পুরে খাও, হেহেহে। ওরা আমাদের দুষ্টুমি কথায় দুষ্টুমির হাসি হাসলেও, ওভাবেই কিন্তু ওরা নিজের দেশকে উন্নত পরিবেশ দিচ্ছে। পশু জবাই হয় না তবে, পার্শ্ববর্তী ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ির জয়গাঁ বা শিলিগুড়িতে জবাই হওয়া গরু, ছাগল, শুকর, সাপ, ব্যাঙ, রুই, কাতলা, টেংরা পুঁটি সবই চলে আসে ট্রাকে করে ভূটানের বাজারে। আর ঐসব হিমায়িত মাছ মাংশ তারা মহাসুখে কিনে খায়। প্রিয় পাঠক, জেনে ভীষণ অবাক হবেন, ওরা শুধু পশুর মাংশ যে খায়, তাই নয়, পশুর চামড়া, হাড্ডি গুড্ডি সব খায়। ওসবও মাংশের দোকানে বিক্রী হয় এবং এসবের খরিদদার ভূটানিজরা, বিদেশীরা নয়।
তবে, পশু যে একেবারেই জবাই হয় না, তা কিন্তু নয়। আমাদের দূতাবাসের পাশে একটি বাড়িতে আমি নিজে দেখেছি, অতি ভোরে কেউ জেগে ওঠার আগেই চটাচট একটা গরু কেটে ছিলে সমস্ত কিছু নিয়ে ঘরে ঢুকিয়ে নিল। ধরা পড়লে পুলিশের কাছে হেস্ত নেস্ত হবে এটা নিশ্চিত। তবে পশু জবাই খুব কম, কদাচিৎ হয়। এছাড়া আমার মনে হয়, বিদেশী দূতাবাসের পাশে বলে, আমরা দেখলেও নালিশ করবো না ভেবে অতি সতর্কতার সাথে কাজটি সেরেছে। ভূটানিজদের মধ্যে বিভিন্ন জাত আছে। যেমন- ডুকপা, শারচোপ, লোটশাম্পা, নেপালী ইত্যাদি। এদের মধ্যে, ডুকপা হচ্ছে সবচেয়ে অভিজাত ভূটানিজ। যে বাড়িটিতে ঐ গোপন কাজটি হতে দেখেছিলাম, তারা জাতিগতভাবে নেপালী ভূটানিজ।
তো আমরা যারা কুরবানীর ঈদ করবো, আমাদের জন্য পশু কুরবানী তো একটা ধর্মীয় কর্তব্য। আমাদের কিছু স্টাফ মেম্বারদের কুরবানীর উৎসাহ অনেক বেশি ছিল। আমাকে একজন এসে বললো, স্যার কুরবানী দেবেন না? আমি বললাম, কুরবানী দেশে দেয়ার জন্য ছোট ভাইকে টাকা পাঠিয়ে দিয়েছি। তিনি বললেন, স্যার এখানেও দিন না। আমি বললাম, কী দেবেন, গরু না খাশি? গরু দিতে চাই না, অন্য কিছু। আমাদের স্থানীয় স্টাফ মেম্বার বললো, স্যার ভেড়ার মতো কিন্তু ভেড়ার চেয়ে বড় লম্বা শিংযুক্ত এন্টিলোপ পাওয়া যাবে। কিনবেন? – আরে, বলছো কি, এন্টিলোপ, শালা জীবনে খাইনি। চলো, কবে যাবা? সবাই মিলে সাব্যস্ত হলো, কুরবানী টুরবানী নয়। এমনিতেই দুতিন পরিবার মিলে একটা এন্টিলোপ জবাই করে গোশত ভাগাভাগি করে নেয়া হবে। হিমায়িত মাংশ খেতে খেতে শালা মুখটাই একেবারে ম্যাড়মেড়ে হয়ে গেছে। অতএব, পরদিন সকালেই ছুটির দিন আমরা চললাম, হাতে উইলো গাছের ডালের লাঠিসোটা নিয়ে পর্বতারোহনে। আমাদের এন্টিলোপ অভিযানে আছি আমি, আমার ক্লাস ফাইভ পড়ুয়া ছেলে, মিশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ দুলাল, একাউন্ট্যান্ট মোশারফ হোসেন, ট্রানস্লেটর টিকা মায়া রাই, এবং মিশনের ফ্ল্যাগ-কারের ড্রাইভার আইতা লোরুং রাই । প্রথমে প্রায় তিন কিলোমিটার হেঁটে গন্তব্য-পাহাড়ের পাদদেশে গেলাম। কিন্তু পথে একটু ভুল রাস্তায় যাওয়াতে একটি বাড়ির গেট পর্যন্ত পৌঁছে যাই। ওরে বাবারে! দুতিনটি ঢাউস সাইজের কুকুর তেড়ে আসলো ঘেউ ঘেউ করতে করতে। ইতোমধ্যে অবশ্য আমাদের অনেক পিলে চমকানো ঘেউ ঘেউ ম্যানেজ করার ট্রেনিং বা সাহস দুইই আয়ত্ব হয়ে গেছে। আমি সবাইকে দৌড়াতে বারণ করে নিজে দূর থেকে ‘ প্লীজ, ডোন্ট কাম, ডিয়ার ডগ, গুড ডগ, জেন্টল ডগ, উই আর ফ্রেণ্ড ইত্যাদি বলে বলে’ শান্ত করবার প্রয়াস পেলাম। দেখলাম, তেলে কাজ হয়েছে। গুড আর জেন্টল ডগের মত ঘেউঘেউয়ে বিরতি দিয়ে পিছিয়ে গেছে। আমরাও ভয়ে ভয়ে আস্তে আস্তে পিছিয়ে আড়ালে গিয়ে দ্রুত নিরাপদ পথে চলে গেলাম।

এবারে পাহাড় বেয়ে ওপরে ওঠার পালা। কিন্তু রাস্তা নেই। আমাদের দেশে যেমন ক্ষেতের মধ্য দিয়ে আলপথ ছাড়া হাঁটার ঘাটা, ঠিক তেমনি। ওক, পাইন আর বুনো গাছের জঙ্গলের ভেতর দিয়ে পথ। আমাদের স্থানীয় গাইড বলল, স্যার সাবধানে, সবাই একসাথে থাকবেন। বলতে বলতে দেখি, দুটো কালো হাউণ্ড কুকুর পাশ দিয়ে দ্রুত চলে গেল। গাইড বলল, স্যার একটু বেশি সাবধান হতে হবে। কুকুর দুটোকে দেখলেন না, ওরা ভল্লুকের আগমন টের পেয়েছে। তারপরই সবার নাকে এলো ভল্লুকের গন্ধ। সাথে আমার ছেলেও ছিল। ও বলল, বাবা চিন্তা নেই। ভল্লুক দূর থেকে ট্রেস করতে পারলে আমরা সবাই মড়ার মত শুয়ে পড়বো, ভল্লুক মরা মানুষকে ছোঁয়ও না। ছেলের সাহস দেখে অবাক হলেও মুখে কিছু বললাম না। যাহোক, শেষ পর্যন্ত হাঁপাতে হাঁপাতে পাহাড়ের ওপরে উঠে আমাদের মন আনন্দে নেচে উঠলো। পাহাড়ের ওপর বিরাট সমতল। দুতিনটি বাড়ি আর ক্ষেত খামার। হোমস্টেডে সবজি বাগানে চড়ে বেড়াচ্ছে বেশ কিছু পাহাড়ি মোরগ মুরগী। দুটি গরু আর দুটি ঘোড়া আমাদের দেশের মতই ছোট খুঁটির সাথে লম্বা রশি দিয়ে বেঁধে খুঁটি মাটির সাথে পূঁতে দেয়া। মনে পড়ে গেল, আমাদের সিরাজগঞ্জে এভাবে বড় বৃত্তে গরুর ঘাস খাওয়ার জন্য মাটিতে খুঁটি পুতে দেয়াকে বলে ‘গোছর দেয়া’ । ছোটবেলায় এরকম অনেক গরু গোছর দিয়েছি ফসল কাটার পর পতিত জমিতে ঘাস খাওয়ানোর জন্য ।

যাহোক, লম্বা উঁচু ট্রেইলে ট্রল করে উঠে আমাদের সবারই ভীষণ ক্ষুধা পেয়ে গেছে। বাসা থেকে বের হয়েছি সকাল সাড়ে আটটা- নটায়। এখন সাড়ে বারোটা। এন্টিলোপরা গেছে দূরে তাজা কচকচে ঘাস খাবার জন্য। বাড়ির ছোট মেয়েটি ওদের আনতে গেছে আমাদের দেখেই। মোরগ দেখে আমরা লোভ সংবরণ করতে পারলাম না। দুলাল সাহেব বললেন, স্যার মোরগের গোস্ত দিয়ে গরম গরম ভাত রান্না করে খেতে পারলে দারুণ হত। যেই কথা সেই কাজ। গৃহকর্তৃর অনুমতি নিয়ে দাবড়িয়ে ধরে মোরগ জবাই করে খেয়ে সবাই পরিতৃপ্ত।

ইতোমধ্যে এন্টিলোপ নিয়ে হাজির হয়েছে বাড়ির ছোট মেয়ে সীতা গুরুং। এন্টিলোপ সম্ভবত আমরা এই প্রথম দেখলাম। বিশাল সাইজ। ছোটখাটো গরুর মতো আরকি। জবাই করার বিষয়ে পাঠক, একটি কথা বলে রাখি। ভূটানে পশু জবাই নিষিদ্ধ, ঠিক। কিন্তু বিদেশী দূতাবাস যেমন বাংলাদেশ দূতাবাস বা ভারতীয় দূতাবাসের ভেতর নিষিদ্ধ নয়। কারণ আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রটোকল অনুযায়ী একটি দূতাবাসকে সংশ্লিষ্ট দেশের নিজস্ব ভূখণ্ড মনে করা হয়। ভূটানের আইন ভূটানস্থ বিদেশী দূতাবাসের অভ্যন্তরে প্রযোজ্য নয়। সুতরাং এন্টিলোপ জবাই করে খেতে আমাদের অসুবিধে হয়নি। তবে ওদেশের আইন ও জনগণের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে অবশ্যই আমরা যথাসাধ্য লোকচক্ষুর অন্তরালেই কাজটি করেছিলাম।

শেয়ার করুন

2 responses to “লেখক শরীফ শেখ এর লেখা -এন্টিলোপ ও পাহাড়ি মোরগ ভোজন”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
©দৈনিক দক্ষিণবঙ্গনিউজ২৫.কম এর সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৩-২০২৫
❤️Design With Tamim Zarif