*রক্তক্ষরণ*
পিঞ্জরে বেধোনা হৃদয়
বাঁচবো কেমন করে,
তুমি যে মোর সওদা ওগো
থাকবে আপণ ঘরে।
শৈশব থেকে খুঁজেছি তোমায়
বছর বছর ধরে,
সকল হাসি সকল কান্না
সব তোমারই তরে।
কত যে পাড়া, কত যে নগর
কত যে পাহাড়, কত যে সাগর,
এবার থেকে ওপার তাকাই
ধুধু বালুচর সবই যে ফাঁকাই
কত যে কাঁটা বিধেছে এ পায়ে
কত যে আঘাত সয়ে হৃদয়ে
ছুটেছি আমি তেপান্তরে
ঝড়-বৃষ্টি সব মাড়িয়ে।
গাড়িয়াল আর মাঝি-মাল্লার সুরে
খুঁজেছি তোমায় চোখের অঝোরে
ভর দুপুরে বাঁশিয়াল সুরে
গোধূলির কোণে কদম্বো ডালে।
পথের বাঁকে, নদী খেয়া ঘাটে
বটের ছায়ায় দিগন্ত শেষে
পাইনি কো সাড়া, পাইনি কো দেখা
সবই ছিল মোর নিয়তির লেখা।
এত খোঁজাখুঁজি বসন্ত শেষে
দেখা দিলে তুমি ওগো অবশেষে
কেন বিধাতা তোমারে আবার
লুকায়ে রাখিতে চায়?
ঊষার আকাশ ঘন মেঘে ঢাকা
বারে বারে সে কাঁদায়।
মালিক যবে করেছে সৃজন
তবে কেন ফের হবে প্লাবন?
কেন পরিচয় কেন যে বিদায়
কেন হাহাকার এ মোর হৃদয়?
এত প্রার্থনা এত মিনতি
এত যে কাতর, সবই কি ফাঁকি?
যদি নাই হবে?
তবে কেন মোর বন্ধ হল এ বুক,
খোলা নাই কেন তোমার হৃদয়
মোর থেকে সবটুক?
মানিক। ০২/০৯/২৫
Leave a Reply