তুমি আমি সে এবং তাহারা শাহীন রেজা বস্তুত নদী বলে কিছু নেইধলেশ্বরী মেঘনা গোমতী কিংবা যমুনাসবই তো প্রবাহিত জল; জলের ধারা– আবার যদি ধরোপারুল রেহানা শ্যামা কিংবা জয়ীতাসবাই তো রাধা
সময়ের স্রোতেখ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন শোধনে মদন কেন এত কাঁদোন- অনিয়ম দুর্নীতি যায়না কি রোধন?লোভে লালায়িত কত কিছু নিতো- কখনো হবেনা সে আর তো শোধন! গাড়ি বাড়ি টাকা করি কামিছে
জানি না কার ভুলে,( রফিকুজ্জামান রফিক )১১/০৮/০২৩ জানি না কার ভুলেভাঙলে তুমি ঘর,চার বছরের জীবন সাথীআজকে হলে পর, আজ থেকে তোমার মুখদর্শন করা পাপ,ভুল ত্রুটি হলে আমায়করে দিও মাফ, তোমার
সমুদ্র মন্ত্রণানাসির চৌধুরী আজ নাকি তীব্র এক শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাবে নগরেরবিন দুটি কানে কানে বলে গেল নীড়ে ফেরার পথেসাগর সৈকতে উদাম দেহে শুয়ে আছি একা চিত হয়েনক্ষত্রঘেরা সন্ধ্যারাতে নিশব্দের গহীনে
নীলিমানাসির চৌধুরী বিস্তীর্ণ নীলিমাসূর্যের তীক্ষ্ণতায় বিধস্ত।যন্ত্রণার বিষে বিষাক্তগহীন গভীর নীল। বাতাসে গোলাপের গন্ধকি অসহ্য অসহ্য তার রং রূপআশপাশ সব ভরে যায়তারই বিষাক্ত বাষ্পেহাত পা ছুড়ে অসহায় বোধপরিত্রাণ কোথায়সর্বত্রই শুধু গ্লানি
ভালোবাসার জন্যে———-আবীর অরণ্য ভালোবাসার জন্যে———-আবীর অরণ্য ভালোবাসার জন্যে———-আবীর অরণ্য তাকিয়ে দেখো আকাশটা গাঢ় নীল রং এ সেজেছেওই প্রচন্ড উত্তাল সাগরের সাথে আছে কতো মিল,বলতে পারো দুজনের কেনো এতটা মিল,কেবলমাত্র একে
ইলিশ মাছ,( রফিকুজ্জামান রফিক )১১/০৮/০২৩ বাংলাদেশের পদ্মা নদীইলিশ মাছের খনি,হালী হালী কিনতো সবাইকিবা গরীব ধনী, হাতে করে আনলে ইলিশদেখতো কতো লোক,দাদু বলে ব্যাগে ভরোপড়ছে সবার চোখ, সেই ইলিশ যায় না
তুমি ফিরে এসোমোঃ নজরুল ইসলাম তুমি ফিরে এসো সোনার বাংলায়,রেসকোর্স ময়দানে দশ ফুট উঁচু মঞ্চের সিঁড়ি বেয়েডানহাতে কালো ফ্রেমের চশমা নিয়েসাদা দপদপে সূতির পাঞ্জাবি পড়েকালো কোর্ট পড়েদশ লক্ষ মানুষের সমাবেশে
চিঠির জবাবআব্দুল মুকিত মুখতার চিঠি তোমায় কেমনে দে’বকোথায় পা’ব বেলি ফুলভার্চুয়েলের ফুলগুলো তোরাঙাবে না তোমার চুল। তোমার এখন উঠতি দুপুরআমার পরন্ত বেলাডাক পিয়ন ডাকে না ভাইদূরে ভাসায় ভেলা। মনে মনে
সাথী হারা পাখি, গায় একাকী, রাতের গভীরে।বিবাগী সুরে, বাঁশি কে বাজায়, রাতের আঁধারে?নদী বহে যায়, ছোট ছোট ঢেউয়ে, বাড়ির কিনারে।ভাটিয়ালি গান, গেয়ে যায় মাঝি,সকরুন সুরেরে ।কুয়াশার রাত, পাতা ভিজে যায়,