উড়ো_ফোন। (প্রথম পর্ব) “আপনি কি সাদিয়া?” খুব গম্ভীর ম্যাচিউরড মহিলা কন্ঠস্বর। হঠাৎ করা এ প্রশ্নটায় ভীষণ অবাক হলাম। সচরাচর অপরিচিত কোন নাম্বার থেকে কল পাই না। তাইতো কিছুটা দ্বিধা নেই
আমার নীলাভ ঠিকানা : দুরগামী স্বরাট আকাশের সুফলা শরীরওবিশুদ্ধ হৃদয় আমাকে ভালোবাসার সুতিকাগারে নিয়ে যায়,আমি নিরাময় বৃক্ষের স্নিগ্ধ পাতার স্পর্শে বিমোহিত। আমি আকাশের ছামিয়ানার নিচে সবুজ খোলা প্রান্তরে বসেচটুল রোদ
চন্দ্রকলাপারভীন রেজা মায়ার আঁচলে বাঁধা সকলেতবুও কোথায় যে ব্যথাকোন ফুল ধরারও আগেকাঁটায় সে পথ মোড়া। চাইলেই হয় নামায়ার জালবোনাএ যে শান্ত আবেগেমনের অজান্তে—তিলে তিলে জন্মায়এক বড় বেদনা সে যে ভীষণ
ভিসা মার্কিন ভিসা নিয়ে উদবিগ্ন তাদের চিত্ত যারা আঙুল ফুলে কলাগাছ এমন উচ্চবিত্ত আর যারা অসাধু আমলা কর্মচারী রাজনীতিক কিংবা ব্যাংক লুটেরা অর্থপিপাসু দুর্বৃত্ত। ভিসা না পেলে কি আসে যায়
সুবর্ণা ফিরে এলো সুবর্ণা ফিরে এলো –দু’চোখে এখনো ঘুমের আয়েশ,সারা রাত কুহেলিকার ঘরে খুঁজেছে সে চাঁদের আভাস।আদরে ফুলে উঠা চুম্বনের প্রশংসায় গর্বিত অধরে যেনঅচেনা এক মোয়েনজোদারোর নর্তকীর হাসি!তীব্র এক গাঁজার
বুনো… (১৭)শাহ সাবরিনা মোয়াজ্জেম বুনো,নিল বেনারশীতে তহুরা চোখে রঙ্গিন— ইন্দ্রজিৎতের আবেশ ছড়ায়।হাত মোজা পা মোজা আর নাকের— নোলক দোলে শিল পাঠার ঝাঁকুনিতে!হলুদ কোটার আবেশে পাড়া শুষে নিতে— আসে বউয়ের নাম
ভাবতে না চাইলেও হঠাৎই মনের পর্দায় ভেসে উঠে মাতৃ স্মৃতি। ১৩ ৮২ বাংলার ১৪ ই পৌষ গত হয়েছেন মা। প্রায় চারযুগ কেটে গেছে। অথচ আজ ভোরবেলা মা আমার মনের পর্দায়
বুনো…. ( ১৪)শাহ সাবরিনা মোয়াজ্জেম বুনো,ডুমুরফুল পায়ে দলেক্রশ কানেকশানে কথা বলেপুত্রের পড়াশোনার দোহাই দিয়েলেবাসের পর্দা সরিয়ে — কস্মিনকালেওশুনিনি একথা বলবোনা —তবে না শুনলেই ভালো হতো মনেহয়!আধবুড়ো মাওলানা কিংবা মুয়াজ্জ্বিনআর সেবার
আয়শার চিঠিমাকসুদা আননাহাল জেনেছি মানুষের দেহ কবরে শোয়াবার আগ পযর্ন্ত, তার আত্মা নিজের লাশের আশেপাশে থাকে…সব দেখে, বলতে পারে না কিছু, ছুঁতেও পারে না কিছু,তবু নির্বাক চেয়ে থাকে…কী অদ্ভুত মুহূর্ত
তুমি জীবনের ভিত্তি, তোমা থেকে সৃষ্টি,তোমার সমৃদ্ধ পুষ্টি এবং জৈব পদার্থ ,আমার বৃদ্ধি,এবং সকল মানুষ এবং প্রাণীদের জন্য খাদ্য। তুমি অণুজীবের আবাসস্থল,যা জৈব পদার্থকে ভেঙে ফেলাএবং উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য।