তুষার রোধন ফেলে এসেছি মনে করি বারবারমনে হয় দেখে আসি একবারকাঁদিছে যেন বিফলে ব্যাকুল বেদনায়একা গৃহে বসে সজল নয়নে হায়। করুণ কণ্ঠ, তবু বিষণ্ণে রবে না চিরতরেঝরিবে না অশ্রুজল ধারা
সাঁঝ বেলার বাসনা———————-হে আমার জন্মভূমি ,তোমাকে ছেড়ে অনেক অনেক দূরে , পাহাড়-পর্বত সাগর-মহাসাগর পাড়ি দিয়ে , সুদূর প্রবাসে গড়েছি আবাস ! প্রবল আত্মবিশ্বাস, অদম্য সাহস ও শক্তি নিয়ে, মাইনাস টেম্পারেচারের
আদিম ব্যাবসার আত্যকথা আজম চৌধুরী হে আদিম সওদার ভ্রমরতুমি বেড়াতে আস এক অন্ধকার রাতেআমার নিশিধ্য পল্লীতে,উত্তপ্ত খেলার লীলা দেখাব তোমাকে –কানদুপাডায় অথবা সিরাজগঞ্জের বেশ্যা পল্লীতে।তোমাদের সমাজ বানিয়েছে মোদের কীট সম,অন্ধকার
☘️ক্ষতি☘️ আমার পৃথিবী ততক্ষনই সুন্দরযতক্ষন তোমাকে দেখার সাধের হয়না মরণ। কিইবা হতো ক্ষতি,তুমি না আসতে যদি! তবুও চায় উদাস মনতুমি থাকো সারাক্ষনআমার হৃদয় জুড়ে। না যেন ফুরায় সেসব ক্ষনযেখানে ছিলাম
তুমি ভাবলেই আমি দূর্বল হবোনা।দূর্বলতা আমার মানুষের প্রতি মায়া এবং মানবিকতার স্বাভাবিক আচরন।ভালো আচরনে কেউ যদি ভেবে নাও ,এ তো চুপ করে সহ্য করে, মানেই ,এ তো ক্লান্ত হয়ে গ্যাছে
বুকের ভেতর একটা ভীষন ছোট্ট সময় ,কেমন যেন থমকে গেছে , আটকে আছে ছবির ফ্রেমে।সেই ছবিতে ভোর সকালে রোদ খেলে যায় আপন মনে,কাজল কালো দীঘির জলে রাত্রি নামে অভিমানে।একটা সময়
অদ্ভুত মানুষ তুমিনা পুরুষ, না মহিলা, না তৃতীয় লিঙ্গের!একই কন্ঠস্বরএকই শরীর,তোমার সম্মোহনে বোকা হয়ে গেলাম! পারস্পরিক সমঝোতাচর্ব-চুষ্য-লেহনে তুমি বিশাল পারদর্শীযা সৃষ্টির স্বাভাবিক ঔদার্যবোধ,আবার সামাজিক চৌহদ্দি ভেঙেকখনো শ্রমিক, কখনো রমণীকখনো নবজাতকের
পয়লা বৈশাখ..………………হেঁটে চলেছে পয়লা বৈশাখ একেলাহেঁটে চলেছে কাতারে কাতারে ঘরহারা উদ্বাস্তুর মতো,গান্ধী, যীশুর মতো তার হারিয়ে যাওয়া বাসার খোঁজে।বাবার লালচে মলাটের পঞ্জিকা তার হাতে,ভেতরে বাঙালির একটুকরো পুরনো সময়।পথের দুধারে ফুল
ক্ষমা!জমির আলী তোমার জীবনের বিনিময়ে যে স্বাধীনতা ,তাকি তোমার পোলার তিনবেলা মুরগির ঝোলেহাত ডুবায়ে ভাত খাওয়ার জন্যই এনেছিলে ,কথা কও?নাকি মুক্ত স্বদেশে তার জন্মের ঋণ শোধ দিতে । ছমিরন বিবি
চল্লিশে মাঝে মাঝেশোনা যায় ,ওপারের ডাকঝিকি মিকি উঁকি মারে চুলেদের পাক ,আয়নাটা বেঈমান ,ভীষনই বেয়াড়ানিষ্ঠুর হাতে আঁকে এ কেমন চেহারা!মায়াময় চাহনিটা বেমালুম ভুলেকালিময় ছাপ ফেলে চোখেরই কোলে ।টোল ফেলা হাসি