এই বাড়িটি সবার || পাঁচ ফেব্রুয়ারি, ভাঙলো যারা বঙ্গবন্ধুর বাড়ি তারাই ছিল দেশদ্রোহী, রাজাকার আনাড়ি এই বাড়িটি ছিল যে দেশের, স্মৃতিযাদুঘর তা ছিল বাংলাদেশের জন্মের আঁতুড়ঘর এ ঘরেই জন্মেছিল, আমাদের
..মফস্বলের শিলা.. দুপুর-সন্ধ্যা-সকালে ছুটাছুটি করতো যে মেলা, চাঁদপুর জেলার দাসাদী গ্রাম,মেয়েটির নাম শিলা। ধূলাবালি তাঁর তনুর সাথে সদা করতো আলিঙ্গন, ছুঁটে চলতো নদীর পাড়ে;যেথায়-সেথায় যেখানে চাইতো মন। বাদামী রঙের কেশ;এলোমেলো
বাবা সবার বাবাই যায় হারিয়ে একটা সময় পরে, অমানিশার আঁধার তখন নামে আলোর ঘরে। বুকের থেকে কলজে হারায় মাথার থেকে ছাদ, বাকি জীবন চলার পথে উচু নিচু খাঁদ। পথগুলো হয়
মায়া বৃদ্ধ হয় ভুলে যেতে চাইলে ভুলে যাওয়া যায়। যতটুকু ভুলে গেলে মানুষ হয় নিখোঁজ; ঠিক ততটুকুই ভুলে যাওয়া যায়। সকলেই কী আর কথা রাখে? স্মৃতি ছাড়া কিছু থাকে না।
তোমায় ছদ্মনামে জপি আমি একটি মেয়েকে নিয়ে রোজ করে কাব্য লিখি, আমার কাব্যের একমাত্র চরিত্র- আমার ভালোলাগার সেই মেয়েটি, যাকে ছাড়া আমার কাব্য প্রাণ পায় না মোটেই। আমার কাব্যে আমি
কি করে মিথ্যে হয় ভালো বাসতাম,যে তোমায় আমি প্রাণের চেয়েও বেশি, মন বলে যায় অজান্তে নিজের আজও তেমনই বাসি! সেই তুমি হলে অপরের ঘরনি রইছো বুঝিও সুখে, তুষের অনল জ্বলছে
ব্যথা ১ সব ঠিক আছে—বলতে বলতে শব্দগুলো আজ হয়ে গেছে মৃত কাঠের মতো, ভেতরে জেগে থাকে দমবন্ধ ঝড়, উন্মত্ত সমুদ্রের গভীর গর্জন মনের অদেখা উপকূলে আছড়ে পড়ে। তবুও মুখে হাসি
উদ্বাস্তুদের কান্না এমনি করে স্বপ্ন দেখেই একদিন শেষ হয় জীবনের যবনিকা…স্বপ্ন ঘরে ফেরে কফিনে মোড়া.. *উদ্বান্তু*- এক এই দেশ ওই দেশ উদ্বাস্তুদের কোনো দেশ নেই তবে গোলাভরা স্বপ্ন আছে স্বপ্ন
অনেকদিন পর আজকের প্যাচাল অনেক কিছুই লিখতে ইচ্ছে করে …আবার হটাৎ ই ইচ্ছেগুলো মরে যায়..যা লিখি বা লিখা হয় এই ফেসবুকের ‘পাতায়’ যার সবটাই ভাবাবেগ বা আবেগ… এই কিছুদিন আগে
//আত্ম উপলব্ধি// ইচ্ছে করলেই একবার খোঁজ নিতে পারতে; ভালোবাসায় নয়, মায়ার টানে। আমার এই অবরুদ্ধ প্রতিক্ষার অপূর্ণতার তৃষ্ণা আজও তোমার হৃদয়ে উদ্ভাসিত মায়ার আলো ছড়াতে পারেনি। জীবনের বাতিঘরে যে পরিপূর্ণতার