অনুপ্রেরণার বাতিঘর রিয়াজ ওয়ায়েজ আলোর যাত্রী তিনি, স্নেহের মশাল হাতে,কোটি মানুষের হৃদয়ে যার বসোবাস। অন্ধকারের ভেতর থেকে জ্বালায় নতুন প্রভাতের আলো.. কথার ভেতরে আছে আস্থা, সুরের ভেতরে আছে শক্তি, তার
একটা গাছ রৌদ্রকে আটকে দেয়, কখনও ভেঙে টুকরো টুকরো করে ফেলে, ছায়ার চাদরে ঢেকে দেয় মাটির বুক, সোনার রশ্মি ফাঁক দিয়ে পড়ে, আলোর বিন্দু খেলে যায় চুপচাপ। শাখাগুলো আকাশের দিকে
কানকথা ~ কারো কারো সাথে গল্প করো কানকথা ভাসে তারা বলে আমায় নাকি ভালোবাস না আমি হাসি। তুমি ফোন দিলে আমি ধরি না তুমি ডাকলে আমি শুনিনি তোমার অভিমান আমি
ব্যান্ড সংগীত: “বেঁচে থাকাই বিজয়” [প্রথম স্তবক] অন্ধকারে ডুবে যাই, তবু আলো খুঁজি, ভাঙা স্বপ্ন, ভাঙা ডানা, তবু উড়তে চাই। হাজার ব্যর্থতা বলে—”তুই থেমে যা”, আমি উত্তর দিই—”এখনও শ্বাস বাকি!”
হৃদয়ের অনুভূতিতে তুই. তোকে দেখলেই যেন হৃদের গহীনে বিজলী চমকায় একরাশ মুগ্ধতা ঐ মায়া ভরা মুখটি থেকে চোখ ফেরানো যায় না মনে হয় সৃষ্টি কর্তার অপরুপ এক সৃষ্টি তুই। তুই
বোহেমিয়ান সুখ – সুখকে কখনো পিছু টেনে ধরি না- সে আসে হঠাৎই দলবেঁধে, মূহুর্তেই সমস্ত ব্যর্থতাকে বুকের আঙিনায় জড়ো করে,তারপর একটা আধপোড়া সিগারেটের মতো নিভে আসে নিঃশব্দে। তুমি একদিন বলেছিলে—
উড়ো চিঠি তোমার সাথে কথা হয় না বহুদিন — তুমিও দাওনি দুটো চিঠি, দেখা হয় না এক বর্ষ যাবত। কীভাবে কেটে যাচ্ছে দিন ক্ষণ, তোমাকেই ভেবে ভেবে সারাক্ষণ। কি অদ্ভুত
অসামঞ্জস্য. প্রশ্ন করো যদি, ভালোবাসা রং এক অমোঘ, চাহিদার অমিল পদে পদে ঘর্ষণে উঠে বারুদ দগদগে ক্ষত বিক্ষত হৃদয় ! সরল থেকে বক্র- সরলে দাঁড়িয়ে অসামঞ্জস্য মলিন মিলন খেলা টলতে
এখন রেল সুন্দর এখন রেল বাজে না আর বেল। ঘন্টা কেনো দেয় না পোর্টার দরকারও নেই এখন ওটার। ইঞ্জিনের ঐ পুঁ-হুইসেল সময় হলে ছাড়ে রেল। আন্ত:নগর ট্রেনে চড়ে অল্প সময়
যদি প্রাণ টাকে মাঝেমাঝে মেঘের কাছে নিতে পারতাম বিমানে না চড়েই বাসার বারান্দায় দাঁড়িয়েই প্রাণ পাখিটাকে বুঝি আরো ভালোলাগতো তখন অনেক বড় তাকে হতে হতো আমার দেখার জন্য আমার অত