এলাহী-৮: এক ছাপড়া মেসের গল্প আমি তখন বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। শুরুতে শাহ পরান হলে থাকতাম, পরে উঠি দ্বিতীয় ছাত্র হলে। টিউশনি করে রাত করে ফিরতাম, আর হলে ফিরলে দেখতাম—খাবার
সহোদরা (শুরুর পর্ব) অনেক বছর আগের ঘটনা; আমি তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ছাত্র। পরের দিন ক্যালকুলাস পরীক্ষা, অ্যাডভানস ডিফারেন্সিয়াল ইকুয়েশনগুলো মাথায় ঢুকছিল না। অনেকক্ষণ ধরে চেষ্টা করছিলাম। তার উপর লেগেছে
অনুভূতির জানালায় কয়েকটি কাঁচের টুকরো ” “একজন জিতলে অন্যজনকে যে হারতেই হয়,তোমাকে জিতিয়ে আমি না হয় হেরেই গেলাম শ্রীলেখা!”যেদিন এই কথা গুলো বলেছিলে সেদিনই প্রথম বুঝেছিলাম, সব জয়ই জয় নয়।হেরে
[১] —“আমায় নিজের বউ বানানোর স্বপ্ন দেখিয়ে, সংসার বাঁধার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তুমি অন্য একটা মেয়েকে বিয়ে করে ফেললে! আমায় এভাবে ঠকাতে তোমার বিবেক বাঁধলো না, আহির?” আহিরের শার্টের কলার দুই
দূপুরের কড়া রোদ খাঁ খাঁ করছে,,,,রাস্তার মাঝে হেঁটে চলেছে তিন রমনী,তিন জনেই গরমে বেশ অতিষ্ঠ, তাদের কারোই ইচ্ছে ছিলো না কলেজ এ আসার, সামনে এক্সাম, ক্লাস এটেন্ট না করলে মার্কস
সাদা পিরিচ লেখক: মাহবুব মোর্শেদ আনোয়ার দরজা খুলে রবিউলকে দেখে প্রচণ্ড অবাক হলো সুষমা। কয়েক সেকেন্ড লাগল তার রবিউলকে চিনতে। ছুটির দিনে অফিসে যেতে হয় না বলে সুষমা একটু দেরিতে
শরৎ “বলি এতো মজার কফিটাও তোর ভালো লাগে নি? কি ভালো লাগে রে তোর?” “আমার ভালো লাগা অন্যরকম। তুই বুঝবি না, প্রীতি।” “বল দেখি তোর অন্যরকম ভালো লাগা।” “আমার ভালো
সাদা- কালো ছবির গল্প সাদা- কালো সব ছবির পেছনেই মনেহয় একটা গল্প থাকে । কারণ আমাদের সেই সময়ে বিশেষ কোন কারণ ছাড়া ছবি তোলা হ’তই বা কয়টা ! অবশ্য এযুগে
আই হসপিটাল, ধানমন্ডি। বিকাল ৫টা। ডেস্কে কাগজ জমা দিয়ে ওয়েট করছি। এর মধ্যে ডাক্তারের চেম্বার থেকে বের হয়েছেন একজন বয়স্ক মহিলা। অতিমাত্রায় বয়স্ক। বার্ধক্যের কারণে হাঁটতে পারে না, তাই হুইলচেয়ারে।
সূর্যাস্ত মারিয়াকে প্রথম দেখি চেন্নাইয়ের একটা ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে। আনমনে সে ওয়াটার কালার ব্যবহারের জন্য প্যালেট, তুলি আর ওয়াটার কালার কিনছে। ‘আর্টিস্ট ওয়াটার কালারের’ প্যাকেটটা ট্রলিতে নিয়েছে। তুলি বা ব্রাশ কেনা