নিঃসঙ্গতা চেনা শহরে চেনা মানুষের ভিড়ে প্রতিনিয়ত স্বপ্নভঙ্গ, এক ছাদের নিচে বসবাস তবুও মানুষ কি অদ্ভুত নিঃসঙ্গ! এক টেবিলে পাশাপাশি বসেও খাওয়ার সময় হয়না কথা, চামচের টুংটাং শব্দের ফাঁকে এক
“অপেক্ষার উৎসর্গ” ইচ্ছে করলেই তো তুমি আমাকে তোমার নতুন কোনো কবিতার ভূমিকায়, শিরোনামে, অথবা স্মৃতির পাতায় এক চিরন্তন ছায়ায় রাখতে পারো। আমারও তো মাঝে মাঝে ইচ্ছে হয়, তোমার কোনো এক
থাকবে না কেউ, করো সম্পদ ডক্টর মহসিন আলী, নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র যে দিন আমি থাকবো না সে দিন কি কারো পরবে মনে আমার কথা কে কি ভাববে আমায় নিয়ে জানবো
প্রজন্মের পথ ——মো: মোশাররফ হোসেন তাঁরা একদিন ছিল প্রভাতের তরুণ সূর্য, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে গড়েছিল সভ্যতার প্রাসাদ। তাদের হাতেই শুরু হয়েছিল গেরস্থালি, জমেছিল ফল ফসলের সোনালী মাঠ, শিক্ষার আলো পৌছেছিল
“দামামা” আসমিরা খানম ভাগ্যের চাকা ঘুরছে গুরু কি দিয়ে আমি করবো শুরু? ধরাশায়ী মহাশক্তি কপালে উঠেছে ভূরু! যুদ্ধের দামামা বেজেছে রমরমা। কালো কালো ধোঁয়া যেন আকাশ ছোঁয়া, বিল্ডিং গুলো পুড়ছে
কথা তুমি রাখোনি যাই যাই করছিলে সে কবে থেকে অবশেষে চলে গেলে বিবর্ণ সকালে আসি বলে যাও না কখনো তুমি রীতিতে নেই তোমার সে আমি জানি। প্রতিবারই যাও তুমি রাত
সভ্যতা ঢেকে রাখা যায় না ২৭ ০৭ ২৬ কায়কোবাদ লেখা “পারস্য প্রতীভা” অষ্টম শ্রেণীতে,মোর হৃদয় দখলে, বিজ্ঞের রসনা,,প্রায় সাতশো পৃষ্ঠা ফুলে-মালা গেঁথে দিল অন্তঃস্থলে। – বইটি ভরি কয়েক জন মহামানব
আলোকিত ভোর পূবের আকাশ ভোরের বেলায় দেখি উজ্জ্বল হাসি , ভরিল যে মন করি নিবেদন দেও খুশি রাশি রাশি । ভরে যাক মন খুশির ভুবন আনন্দে ভরা দিন, মাতাল করুক
নির্বাসন এ ছোট্টখাট্টো শহরটিতে আমি বড্ড একা কত ঝড়-বাদলের নিষ্ঠুরতা আমাকে স্পর্শ করে, সহ্য করতে করতে আমি আজ সবংসহা’য় পরিনত। কোন পথিক ভুল করেও মাড়ায়না এ পথ আমি অপলক চেয়ে
আমাকে কাঁদায় আমার শহরে চাঁদ দেখা যায় না।শহরের চারপাশে ইট পাথরের উঁচুউঁচু ইমারত আকাশ কে গিলে ফেলেছে।আমার শহর আজ অসুস্থ।এতো কোলাহল এতো মানুষ।আমার শহর শ্বাস নিতে পারে না। রাস্তা ঘাটে