বরিশালের আঞ্চলিক ভাষায় কবিতা দ্রব্যমূল্যের পাগলা ঘোড়ামোঃ নজরুল ইসলাম কওছেন দ্যেহি মামু –বাইরে ঘরম,ঘরে গরম,কোম্মে এহন যামু!বাজারে আইয়া ঘুরা দিয়া থাইম্মা গ্যেলাম ওরেপ্যাঁজ-রোন্দের দামডা হুইন্না ক্যেবল মাতা ঘোরে!চাউলের দাম,আলুর দাম,গোশতের
শিরোনাম : ক্যামন করে ?কলমে : মুহাম্মদ বাবরতারিখ : ১৩ – ০৮ – ২০২৩ ক্যামন করে তুমি বিনে ,আমি সুখী হবো ?নিরব রাতে একলা বসে ,একবারও কি ভাবো ? ভালো
১৯৭৫এর ১৫ই আগষ্ট জাতির জনক সহ সকল শহীদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় আমার ছোট্ট নিবেদনকত যে ভালোবাসি তোম কত যে ভালোবাসি তোমায় হে জাতির পিতা,তুমি এনে দিলে বাংলাদেশের প্রাপ্ত স্বাধীনতা।এতো
কালো বিড়ালআরমান দেওয়ানজী 🌹🌹 ,,, এক ঝাঁক কালো বিড়াল,. দুষ্ট জিনের পূজারী”’ওরা বিড়ালের রক্ত প্রাণ করে,অলীক স্বপ্নের ঘরে,বিবেক ধ্বংস কারী!ওরা ওদের কথা বলে আমার কন্ঠে,মিথ্যে বলায়,মিথ্যে শিখায়,মিথ্যের বিস্তারে,সমাজ লুন্ঠে।ওরা মানুষের
নিখিলমো: গোলাম কিবরিয়া পথের ধারে পুকুর পাড়েজীর্ণ একটি কুটিরসেখানটাতেই বাস করিতআমাদেরই নিখিল।একটি শ্রাবণ মিষ্টি পূজাহাজার খানেক অভাবকাঠমিস্ত্রী পেশা যদিওধারদেনা তার স্বভাব।হাজার টাকা আয় করে সেরোজ সন্ধাবেলাকি কিনিবে কি শুধিবেঅভাব যে
তুমি আমি সে এবং তাহারা শাহীন রেজা বস্তুত নদী বলে কিছু নেইধলেশ্বরী মেঘনা গোমতী কিংবা যমুনাসবই তো প্রবাহিত জল; জলের ধারা– আবার যদি ধরোপারুল রেহানা শ্যামা কিংবা জয়ীতাসবাই তো রাধা
সময়ের স্রোতেখ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন শোধনে মদন কেন এত কাঁদোন- অনিয়ম দুর্নীতি যায়না কি রোধন?লোভে লালায়িত কত কিছু নিতো- কখনো হবেনা সে আর তো শোধন! গাড়ি বাড়ি টাকা করি কামিছে
জানি না কার ভুলে,( রফিকুজ্জামান রফিক )১১/০৮/০২৩ জানি না কার ভুলেভাঙলে তুমি ঘর,চার বছরের জীবন সাথীআজকে হলে পর, আজ থেকে তোমার মুখদর্শন করা পাপ,ভুল ত্রুটি হলে আমায়করে দিও মাফ, তোমার
সমুদ্র মন্ত্রণানাসির চৌধুরী আজ নাকি তীব্র এক শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাবে নগরেরবিন দুটি কানে কানে বলে গেল নীড়ে ফেরার পথেসাগর সৈকতে উদাম দেহে শুয়ে আছি একা চিত হয়েনক্ষত্রঘেরা সন্ধ্যারাতে নিশব্দের গহীনে
নীলিমানাসির চৌধুরী বিস্তীর্ণ নীলিমাসূর্যের তীক্ষ্ণতায় বিধস্ত।যন্ত্রণার বিষে বিষাক্তগহীন গভীর নীল। বাতাসে গোলাপের গন্ধকি অসহ্য অসহ্য তার রং রূপআশপাশ সব ভরে যায়তারই বিষাক্ত বাষ্পেহাত পা ছুড়ে অসহায় বোধপরিত্রাণ কোথায়সর্বত্রই শুধু গ্লানি