দানব ও প্রকৃতি ।। শহরের গরমে কিংবা গরমের শহরেআমরা ভীষণ অযোগ্য অনুভূতিহীন এক প্রাণিনগরায়নে ধ্বংস করেছি জীবনদায়ী অগণিত অক্সিজেনের কারখানাজলাধার ভরাট করে বানিয়েছি লোহালক্কর আরইট কাঠের জঙ্গলভূগর্ভের পানি তুলেছি করছি
বিনিময়“”””””””””””””””””””””””””””” বুক পেতে রেখেছিবুকের জন্যে….! কে নেবে?কে ভুগছে বুক না-থাকার অভাবে? পোস্টমর্টেমে যদি বলে—এ-বুকে একটা গভীর দগদগে ক্ষত আছে।সরিয়ে ফেলতেহাজার বছর লেগে যাবে। পানকৌড়ির ঠোঁটের মতোগভীরে;আরও গভীরে,জেগে আছে;রাত্রি জাগারআরও এক’শ
☆☆ শ্রমের প্রতি শ্রদ্ধা ☆☆ শত শত শ্রমিক ভাইয়েরআন্দোলনের দিন“মে” দিবসের জন্ম হলোরক্ত ঝরা ঋণ। বহু বছর আগের কথাশহর শিকাগো তেন্যায্য দাবীর আন্দোলনেপ্রাঁণ যে দিলো তাতে। যে মেয়েটি পাথর ভাঙ্গেতপ্ত
বদলের সাতকাহন নূপুরের মতো নয়, হৃদপিণ্ডের ধক ধকশব্দের মতোও নয়,মৃত্যুদন্ড শোনাবার বাঁশির মতোবড়ো বেরহম শব্দে বুকের ভেতর বেজে উঠেতোমার নির্দয় কথাগুলো। এই ঠোঁট, সেই ঠোট নয়এই চোখ সেই চোখ নয়,
নন্দলাল_কবি আজকাল শুধু প্রতিবাদী সুর কন্ঠে যে চলে আসেচুপ থাকি তাই প্রতিবাদগুলো উপহাস করে হাসে।আমি বলি সুর ফিরে যাও ঘরে বায়ুহীন সীমানায়কন্ঠে আমার মায়া-কন্টক তোমার আসনটায়মায়ার মায়ায় বন্দী হয়েছি পৃথিবী
“অভিমান” আমি সেই অভিমানযাকে বুঝেনি কেউঅনুভবই করেনি কেউ যেহৃদয় এতটা কোমল,হৃদয় গহীনে চাপা কষ্ট,এতটা দীর্ঘশ্বাস কেউ বুঝতে চায়নিবুঝেছিল শুধু সেই ঈশ্বরকোন কিছুর জন্য আমি ভেঙে পড়ি নাহোক সেটা ছোট কিংবা
ফুলে ঘ্রাণ নেই। মাসুম বিল্লাহ। ফুল দেখেছি ফুল দেখেছি,ফুল দেখেছি আমি,ফুল তুলে যে ভুল করেছি,দুঃখ রাশি রাশি। ফুল দেখেছি ঐ বাঁগানে,ফুল তুলেছি আমি।সেই ফুলে আর সুবাস নেই,কোন বনে ফুল সুবাস
মরণের দশা সামনে তোরা এইচ্ছা করোরে কিল্লেইসুখে থাইকলে ভূতে কিলায়মরণের দশা সামনেদোষ কারো নাই কর্মের দোষচাইরআঁইঙ্গুল্লা কপালের দোষ | কিল্লে কইয়ের এতো কথা বুইঝত্নেদিনে রাইতে ধরা খাই গেছেকে কনানে যাইবোকন্ডেতুন
এর কোনো মানে নেই আমি তোমায় ভালোবাসি বলে আমাকেও ভালোবাসতে হবে এর কোনো মানে নেই। তুমি তাকেই ভালোবাসো, যার মিষ্টি মধুর স্মৃতিতে একলা হাসো। যার ছোঁয়া অনুভবে শরীরে জাগায় শিহরণ,
জাগ্রত জ্ঞানী। মাসুম বিল্লাহ চোঁখ মেলে চেয়ে দেখি,নদীর ঐ পানি।চোঁখের পানি ঝরিয়ে এলে,সেটা কেমনে মানি। ঐ ফুলের গন্ধে প্রজাপতি,ঘ্রাণ বুঝে আসে।তেমন করে জ্ঞানীর মাথায়,সৎ কথা ভাঁসে। সত্য কথা হাঁরিয়ে গেলে,মন