একটা বিকেল“””””””””””””””””””””””””””””””””” একটা বিকেল,কিছু কথা,কিছু পকেট বন্দী নিঘুম নিয়নআমাদের হোক। ফেলে আসা কিছু গল্প,ফেলে আসা কিছু হাট, কিছু সোনালি ভোরহৃদয়-মাঠ চুয়ে চুয়ে আমাদের কথা বলুক। এখানে, আমরা পার করছি—ঢেউয়ের নদী,সুগন্ধি
“চিঠি লেখেনা”মাফরূহা বেগম……………………………আমাকে কেউ চিঠি লেখেনাদিনগুলি কেটে যায় বড় একা একলা ,তাই বাজেনা মন বীনা ঝংকারে।কতদিন পথ চেয়ে থাকি একটা চিঠির আশায়নীলখামে মোড়া, আতরের সুগন্ধি মাখা,নিপুণ হাতে লেখা,নিখুঁত শব্দের জাল
তুমি হয়তো ভাবছো আমি কেমন আছি!আঁকাবাঁকা পাহাড়ি রাস্তায় ছুটে চলিরাস্তার পাশে ফুটে আছে নাম না জানা বুনো ফুলঅবহেলায় বেড়ে ওঠা বাঁশঝোপের আড়ালেএকটা হলদে পাখি চুপচাপ চোখ মেলে দেখেআবার চোখ বুজে
দাও গো মা তিলক এঁকে দাও গো এঁকে ঝটিকা মরিয়াও অমর হইতে চাই এই ভুবনে, জ্বালায়ে রাখিতে চাই শাশ্বত বহ্নি শিখা গাইয়া যাইতে চাই অম্লান বাক্যসমূহ চিরভাস্বর, হিমাদ্রি। চলিতে চাই
● গরু হবো বাছুর থেকে গরুর জীবনে বাঁক নিচ্ছি।প্রত্যেকটা বাছুরের লক্ষ্য নিরঙ্কুশ গরু হওয়া।আজীবন দুধের শিশু কেউ থাকে না,না গাধানা মানুষ।গরুর গোয়াল কীআর তীর্থই কীভূঁইবাড়ি থেকে খড়ের গাদাকিংবা বড়জোর নেপিয়ার
মুক্তির শ্লোগানরাজু আহম্মেদ গেলোনারে রয়েই গেলোমুক্তির শ্লোগান,মুক্তির জন্য অবিরতআত্ম বলিদান! পূর্ব পুরুষ থেকেই শ্লোগানশত শত বছর,বুকের রক্ত ঢেলে আমরাশ্লোগানে মুখর! ফিরিঙ্গিরা ফিরে গেলোএ বুকের রক্ত গিলে,রক্ত ঢালা শ্লোগানেমরছি তিলে-তিলে! মাতৃভাষার
বড্ড অসময়ে তুমি এলে———————————শাহনেওয়াজ কবির ইমন বড্ড অসময়ে তুমি এলে,এ জীবনের শূন্যতা কালে;মাঘি পূর্নিমার ক্রান্তি লগ্নে,ঘোর অমাবস্যার সন্ধিক্ষনে। বড় বেদনায় তুমি এলে,বেদনা বিধুর রাত্রি কালে;অসময়ের গোলক ধাঁধায়,নীল প্রেমের অববাহিকায়। বড়
সন্ধ্যা হয়ে এল-কেমন করে সন্ধ্যা হয়ে এল টের পেলাম না,জীবনের সন্ধ্যা ,আমার পৃথিবীর সন্ধ্যা ,আজ নিভু নিভু ফিকে আলোয়অনুভব করছি আমার জীবনের সায়ান্য । মনে পড়ে ফেলে আসা জীবনটা-সেই ছেলেবেলার
ফিরে এসো, আরেকবার মূঠো ভর্তি রুপালী আলোশীতের দুপুরের ধপধপেনির্জন ফর্সা রোদসবকিছু দু’হাতের মূঠোয় পুরেঅপেক্ষায় আছি তোমার। তোমাকে দেখেছিলাম এক সোমবারেএর পর সময় উড়েছে নিযুত প্রহরে।তুমি আসোনিকো আর। তুমি আমার উপাসনাএকই
মানুষ বড়ো অদ্ভুত!~~~ মানুষ বড়ো অদ্ভুত, নিজেকে জানে না!যেটুকু নিজেকে জানে, সেটুকু মানে না। জীবনাবসান হয় নিজ মন জানতেসে কথাটা আবার সে পারে না যে মানতে। অন্যের কাছে যা চায়,