প্রণয়ালাপ ও বিরহলিপি : গর্ভসঞ্চারী মেয়ের গর্ভের শিশুর মতোধীরে ধীরে বেড়ে ওঠছে আমার চিন্তার উদ্ভিন্ন চর।চরটি কুমিরের মতো সটান হয়ে শুয়ে রোদ পোহায়,চরটি একটি মরা নদীকে গিলে খেয়েছেযেমন করে তরতাজা
নীলের সাথে আমার সখ্যতাসেই ছেলে বেলা থেকেমধ্য দুপুরে গ্রীষ্মের নীল আকাশনীল সমুদ্রনীল অপরাজিতানীল ঘুড়িনীল বেলুননীল প্রজাপতিনীল নীল নীলনীলাময় নীলিমার নীল নীলাম্বরীর বুকে নক্ষত্রের হাজার বুটিকনীল চোখের বাঁকা চাহুনিনীল মনিহারনীলা পাথরের
দরজার বাহিরে আমার আশৈশব অবস্থান।অন্ধগলি হাতড়িয়ে দরজা পর্যন্ত পৌঁছেআমি স্থানুবত দাঁড়িয়ে থাকতে ভীষণ স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি।ভেতরে দুরন্ত ঘসেটি বেগম, জগৎশেঠ এবংপঞ্চম কলামের রথী-মহারথীগণ।অলঙ্ঘ্য দেয়াল।এ দেয়ালের কান নেই।কদাচিত কান গজালেও মুখ
কবি নই শিল্পি নইআমি গাঁয়ের চাষিলাঙ্গল চালাই গরু চরাইবাজাই বাঁশের বাঁশি। সাঁঝের তারা জ্বালে প্রদীপআমার কুঁড়ে ঘরেজোছনা রাতে চালের ফাঁকেআলোর কণা ঝরে। লড়াই, লড়াই, লড়াই চাইলড়াই করে বাচিঁঝড় বন্যার সাথে
অযোগ্যা(Incompetent)জান্নাতুল নাইম আমি ছিলাম বিপুল অবহেলায়।আমি ছিলাম ভালোবাসার চূড়ান্ত জুয়া খেলায়।আমি ছিলাম ক্ষণিক মোহে।আমি ছিলাম আক্রোশ, অপমান আর দ্রোহে।আমি ছিলাম অনেক কিছু, সত্যি কিছুই না,হয়ত মিথ্যা পুতুলের মতো কিছু-মিছু।আমি ছিলাম
উড়ো_ফোন। (প্রথম পর্ব) “আপনি কি সাদিয়া?” খুব গম্ভীর ম্যাচিউরড মহিলা কন্ঠস্বর। হঠাৎ করা এ প্রশ্নটায় ভীষণ অবাক হলাম। সচরাচর অপরিচিত কোন নাম্বার থেকে কল পাই না। তাইতো কিছুটা দ্বিধা নেই
আমার নীলাভ ঠিকানা : দুরগামী স্বরাট আকাশের সুফলা শরীরওবিশুদ্ধ হৃদয় আমাকে ভালোবাসার সুতিকাগারে নিয়ে যায়,আমি নিরাময় বৃক্ষের স্নিগ্ধ পাতার স্পর্শে বিমোহিত। আমি আকাশের ছামিয়ানার নিচে সবুজ খোলা প্রান্তরে বসেচটুল রোদ
চন্দ্রকলাপারভীন রেজা মায়ার আঁচলে বাঁধা সকলেতবুও কোথায় যে ব্যথাকোন ফুল ধরারও আগেকাঁটায় সে পথ মোড়া। চাইলেই হয় নামায়ার জালবোনাএ যে শান্ত আবেগেমনের অজান্তে—তিলে তিলে জন্মায়এক বড় বেদনা সে যে ভীষণ
ভিসা মার্কিন ভিসা নিয়ে উদবিগ্ন তাদের চিত্ত যারা আঙুল ফুলে কলাগাছ এমন উচ্চবিত্ত আর যারা অসাধু আমলা কর্মচারী রাজনীতিক কিংবা ব্যাংক লুটেরা অর্থপিপাসু দুর্বৃত্ত। ভিসা না পেলে কি আসে যায়
সুবর্ণা ফিরে এলো সুবর্ণা ফিরে এলো –দু’চোখে এখনো ঘুমের আয়েশ,সারা রাত কুহেলিকার ঘরে খুঁজেছে সে চাঁদের আভাস।আদরে ফুলে উঠা চুম্বনের প্রশংসায় গর্বিত অধরে যেনঅচেনা এক মোয়েনজোদারোর নর্তকীর হাসি!তীব্র এক গাঁজার