★★★ইফতার আমেজ★★★……………. 🖊 জাহিদ চৌধুরী দিনভর উপোষী শরীরে এক ঝঙ্কার,সূর্যাস্তের সঙ্গেই আল্লাহু আকবর।পরিবার পরিজনের সাথে রাখা রোজা,একসাথেই বসে খাওয়া ইফতারে মজা।হয়না তুলনা গৃহে, সাথে পরিবার পরিজন,ইফতার মাহফিল, পার্টি বাহিরে আয়োজন।সেথায়
বৈশাখ কি দেবো তোমায় বৈশাখ তুমি তো আসবে জানিকি দেব বসে আমি এই চিলেকাটার এক কোনায়ধুলামাখা তম্বুরার জলাংগ তারেখঞ্জিত আঙুল রেখে কি পাঁচালী শোনাব তোমায়। হাড়গিলে পাখীটি ত্যক্তভুষণে আমলকীর ডালেরৌদ্র
ভাবছি, আরও সাধারণ থাকার অভ্যাস গড়ে তুলবো। সন্তানদের আরও অল্পতে তুষ্ট থাকার পুরোনো গল্পগুলো শোনাবো, জানাবো, নিজেও জানবো।সন্তান কে ভালো কিছু উপলব্ধীতে বাড়তে দিতে হবেই।তা না হলে সুস্হ সমাজ তৈরী
রঙ দেবে গো আমায় একটু রঙ দেবেগো মেখেতাহার গায়ের কৃষ্ণ কালো রঙরঙের মাঝে সংগোপনে থাকে যেনত্রিভংগ সেই বাঁকা তাহার ঢঙ।আবির রঙে ঢেকোনা কেউ ক্ষেপেনষ্ট হওয়া মলিন দেহখানিথাকলে আবির অকামনার প্রেমেমন
যান্ত্রিক যন্ত্রনা.লাউয়ের মাচা ঝিঙে দেখি নাদোয়েল শ্যামা ফিঙে দেখি নাদেখি না হলদে পাখিআমি এক নিঠুর শহরে থাকি . . ..মাছরাঙা বউ ডাহুকের ছানাকাছে আয় ধরি তোর হাতখানাবলে না এখন ডাকিআমি
সহাস্য উল্লাসে আজীবনবাদল ঘোষ আমাদের আগুন আগুন দিনেআগুনের ফুল ফুটে থাকতো চারদিকেনীলাভ আগুন ছিলো সপ্রতিভ চোখে- মুখেদৃশ্যের ভেতরে আর বাইরে, ভবিষ্যতের জানলায় ত্রিশূল আগুনে বিদ্ধ স্বকল্প সময়কোনো কাঁটাতার ছিন্ন করতে
খুব স্বাভাবিক বিষয় …আমি কেন ততটা এগিয়ে নেই ?যতটা সে আছে পরিচিত হয়ে, আমারতোসেখানেই থাকার কথা ,কারন সে যা পারে,আমিও তাই পারি,তবে কেন সে আমার আগে এগিয়ে???? এ প্রশ্ন,মনের ভেতর
কোথাও ভালো খবর নেই।ফেসবুকজুড়ে মৃত্যুর খবর আর দোয়া কামনা।পরিচিত অনেকের মৃত্যু সংবাদ পাই প্রতিদিন।দেশে-প্রবাসে।আমরা দ্বিতীয় সিলেট বলি লন্ডনকে।আমাদের অগনিত স্বজনরা সেখানে থাকেন।উনারা ও মৃত্যু আর আতংকের ভেতর আছেন।স্বজনদের জন্য আমরাও
কাজল চোখে বদরুদ্দোজা পারভেজ বাঁক ধরা নদীকোনো এক নীলাদ্রির নধর নিতম্বে জন্মশীতের স্বচ্ছ শবনম বয়ে চলে বুকেমার্জার পদে নিঃশব্দে। এক তীরে ঘন তৃণের শ্যামলিমাআরেক তীরে স্বহস্তে গড়া বিস্তৃত কানন,নামও দিয়েছি
হেমন্ত জাগে – দূর থেকে ভেসে আসা ভোরে আলগোছে আসে হেমন্ত সাথে নিয়ে আসে আমাদের স্নিগ্ধ নরম দিন কুয়াশা মাখা ভোর হয়ে আসে ফসলের দিন আমাদের মেঠোপথে শিশিরের জল, মিষ্টি