পাঁচের মাঝে আমি ৩০শে এপ্রিল, ২০২৪।ফটোক্রেডিটঃ মহিউদ্দিন আলমগীর রোমেল। “নির্ঝরের প্রকৃতি” ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের নির্ঝর এলাকায় যে প্রাকৃতিক পরিবেশ তৈরী করা হয়েছে তা এক কথায় বড়ই চমৎকার। আবাসিক এলাকায় রাস্তার পাশে
প্রীতির নীরব কান্না। কাশেম সাহেবের স্ত্রী গত হয়েছেন আট বছর আগে। বাসায় তাঁর কলেজ পড়ুয়া মেয়ে প্রীতি। মেয়ে আর বাবার সংসার। বাসার তৃতীয় সদস্য ছোট্ট কাজের মেয়ে মিনি। বার্ধক্যে এসে
চক্রাকারে উড়ছে সোনালি ডানার চিল । গুমোট পরিবেশ, চারদিক অন্ধকার হয়ে আসছে । মেঘের পরে মেঘ জমেছে । গাছের শাখায় ওঁত পেতে বসে আছে শকুন । তীক্ষ্ণ দৃষ্টি যাদু মিয়ার
সাধ মিটানো ! ॥ সাজাহান সরদার ॥ যখন মাঝ রাতে ঘুম ভেঁঙ্গে যায় ; খোলা জানালা দিয়ে চাঁদের আলো এসে আছরে পরে আমার বিছানায় , চোখে , মুখে । দূরে
আমার আমি (অষ্টাদশ পর্ব)“স্মৃতিতে শিববুড়া” আমাদের পাড়ার বয়োজ্যেষ্ঠ শিববুড়া লোকটিকে দাদা সম্বোধনে ডাকতাম ৷ সাধারণতঃ ঠাকুর্দা জাতীয় সম্পর্কের সাথে সরাসরি এমন একটি সম্বোধনের প্রচলন আমাদের সমাজে প্রচলিত আছে আর এর
ডিভোর্স —গুডমর্নিং মিস বি। আমি তো তোমায় চিনি, আগেও একদিন এসেছিলে, তখন অনেক কথা বলেছিলাম আমরা, মনে পড়ে? তা বলো কেমন আছ, কেমন চলছে তোমার দিনকাল?— এই তো চলছে, তুমি
বিবেক আমাদের ছোটবেলায় যখন শীত জেঁকে বসতো, যখন সন্ধ্যা হলেই কুয়াসার চাঁদরে ঢেকে যেত চরাচর, তখন সেই কুয়াসাচ্ছন্ন কলেজের বিশাল মাঠে জ্বলে উঠতো লাল নীল বাতি। মাইকে ঘোষণা আসতো সুচিত্রা
মনের শক্তি দিয়ে জীবনে বড় কিছু অর্জন অবশ্যই সম্ভব! “মনের দিক থেকে যে দুর্বল কর্মক্ষেত্রেও সে দুর্বল।” কত আশা, কত স্বপ্ন নিয়ে আমাদের দিনের শুরু হয়। জীবনটা একেক দিনে একেক
এসএসসি পরীক্ষা চলছে। এইচএসসি পরীক্ষা সমাগত। পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্যে এ লেখা। গোল্ডেন এক. ১৯৮২ সালের পঞ্চম শ্রেণীর সমাপনী পরীক্ষা ছিল এক কথায় অদৃষ্টপূর্ব। এখনকার পিএসসি’র আদলে সে বছর যে
একটা জড় বস্তুর আত্মকথা (২)কমলকলি এরপরে বছর পাঁচেক আগে শীতের মৌসুমে মিসেস রুমানা একাই বাংলাদেশে গিয়েছিলেন। আমাকে উনি অনেক যত্নের সাথে সুটকেসে অন্যান্য কাপড়ের মধ্যে নিয়েছিলেন।তাকে বলতে শুনেছি,” কার্ডিগানটা লম্বা