অনৈক্যের পোনালাপ ফাঁস হয়েছে ঠাস্ করেঐ গোপন ফোনালাপপান্নাবাবুর সাথে বি’রনরম গরম বাতবিকল্পের প্রকল্পেবাড়া ভাতে ছাইবিজাতীয় ঐক্য ফ্রন্টেআমরা কেন নাই?দাওয়াত দিয়েদামাল হোসেনলুকি্য়ে ছিলেন কোথাআপনি বাবু পড়লেন কেনঘোষনার ঐ চোথাআপনি হলেন ষড়যন্ত্রীআমরা
বলতো দেখি!ভালোবাসা কি মাপা যায়,যায় নাকো মাপা শুধু অনুভব করা যায়।দূর থেকে এসে সজন বেধেছ বুকে আপন করেছো বিশ্বাসে মমতায়।যেখানে বিশ্বাস ঘুমায় পবিত্রতার আশ্রয়,ছোট্ট শিশু উদ্ভিদের মত একটু একটু করে
===সুযোগ সন্ধানী ==== লোকটি হলো এক বাগানের মালীকত যত্ন করে নানান ফুলের গাছ গুলোরপুষ্পের আগমনী গানে তার জীবন রাঙায়পাখির সুরে সুরে তার মন গেয়ে ওঠেলোকে বলে, এমন মালি আর নেই
প্রীতিময় স্মৃতিগুলো কত কথা কত নাম কত বদনামবয়ে চলে অবিরাম এই ধরাধাম।কতনা জলাঞ্জলি চৈতালি সুখেস্মৃতির অতলে তলিয়েছে দুঃখে। কত মুখ কত যুগ হয় না যে দেখাসুখময় স্মৃতিগুলো অস্পুট রেখা।প্রীতিময় স্মৃতিগুলো
তুষার রোধন ফেলে এসেছি মনে করি বারবারমনে হয় দেখে আসি একবারকাঁদিছে যেন বিফলে ব্যাকুল বেদনায়একা গৃহে বসে সজল নয়নে হায়। করুণ কণ্ঠ, তবু বিষণ্ণে রবে না চিরতরেঝরিবে না অশ্রুজল ধারা
সাঁঝ বেলার বাসনা———————-হে আমার জন্মভূমি ,তোমাকে ছেড়ে অনেক অনেক দূরে , পাহাড়-পর্বত সাগর-মহাসাগর পাড়ি দিয়ে , সুদূর প্রবাসে গড়েছি আবাস ! প্রবল আত্মবিশ্বাস, অদম্য সাহস ও শক্তি নিয়ে, মাইনাস টেম্পারেচারের
আদিম ব্যাবসার আত্যকথা আজম চৌধুরী হে আদিম সওদার ভ্রমরতুমি বেড়াতে আস এক অন্ধকার রাতেআমার নিশিধ্য পল্লীতে,উত্তপ্ত খেলার লীলা দেখাব তোমাকে –কানদুপাডায় অথবা সিরাজগঞ্জের বেশ্যা পল্লীতে।তোমাদের সমাজ বানিয়েছে মোদের কীট সম,অন্ধকার
☘️ক্ষতি☘️ আমার পৃথিবী ততক্ষনই সুন্দরযতক্ষন তোমাকে দেখার সাধের হয়না মরণ। কিইবা হতো ক্ষতি,তুমি না আসতে যদি! তবুও চায় উদাস মনতুমি থাকো সারাক্ষনআমার হৃদয় জুড়ে। না যেন ফুরায় সেসব ক্ষনযেখানে ছিলাম
তুমি ভাবলেই আমি দূর্বল হবোনা।দূর্বলতা আমার মানুষের প্রতি মায়া এবং মানবিকতার স্বাভাবিক আচরন।ভালো আচরনে কেউ যদি ভেবে নাও ,এ তো চুপ করে সহ্য করে, মানেই ,এ তো ক্লান্ত হয়ে গ্যাছে
বুকের ভেতর একটা ভীষন ছোট্ট সময় ,কেমন যেন থমকে গেছে , আটকে আছে ছবির ফ্রেমে।সেই ছবিতে ভোর সকালে রোদ খেলে যায় আপন মনে,কাজল কালো দীঘির জলে রাত্রি নামে অভিমানে।একটা সময়