সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার-আবুল বাশার:
ভূমিকম্পের এবং aftershock বা পরবর্তী কম্পন aftershock হলো মূল ভূমিকম্পের (mainshock) পরে একই অঞ্চলে এবং বা কাছাকাছি স্থানে পুনঃ কম্পন সৃষ্টি হওয়া।
সাধারণত মূল ভূমিকম্পের ফাটল বরাবর শিলাগুলির নতুন করে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ার কারণে ঘটে থাকে।
সময়কাল:
আফটারশক কয়েক দিন, সপ্তাহ, মাস বা এমনকি বছর ধরেও চলতে পারে, যা মূল ভূমিকম্পের তীব্রতার উপর নির্ভর করে।
তীব্রতা:
সাধারণত মূল ভূমিকম্পের চেয়ে কম তীব্রতার হয়। রিখটার স্কেলে আফটারশকের তীব্রতা সময়ের সাথে সাথে কমতে থাকে।
বিপদসীমা ও ঝুঁকি:
যদিও আফটারশক মূল কম্পনের চেয়ে দুর্বল হয়, তবুও এটি যথেষ্ট বিপজ্জনক হতে পারে। কারণ মূল ভূমিকম্পে দুর্বল হয়ে পড়া ভবন বা অবকাঠামো আফটারশকের আঘাতে ভেঙে পড়তে পারে।তবে মূল ভূমিকম্প যত শক্তিশালী হবে, আফটারশকের সংখ্যা এবং তীব্রতা তত বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
সতর্কতা:
আফটারশকের সময় নিরাপদ থাকতে কর্তৃপক্ষের নির্দেশিকা অনুসরণ করা এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
তবে ভূমিকম্পন তিন স্টেপে হয়—
১.Foreshock (মেইন শক এর আগে)
২.Main Shok (মেইন শক এটা ভয়ংকর)
৩.After Shok ( ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক বা অতি ধ্বংসাত্মক এটি মেইন শকের ক্রিয়ার প্রতিক্রিয়ার স্বরুপ )
সুতরাং গতকাল ঘটে যাওয়া 5.5 শকটি main shock বলা যায়।কারণ aftershock 3.3। কিন্তু কোন প্রকারে এটি Fore shock হয় তাহলে Main shock কমপক্ষে 7+! আর এই মাত্রার ভূমিকম্প বাংলাদেশে হলে কি হবে একমাত্র সৃষ্টিকর্তা আল্লাহই ভালো জনেন।
Leave a Reply