স্টাফ রিপোর্টার – আবুল বাশার: পরবর্তীতে, ১৯৮৩ সালে এটিকে একটি উপজেলায় উন্নীত করা হয়। সিংড়া একসময় চলনবিল অধ্যুষিত একটি বিশাল জলমগ্ন এলাকা ছিল।
অনেক গবেষক মনে করেন বিশেষ করে প্রফেসর হামিদ তার চলন বিলের ইতিহাস গ্রন্থে এই অঞ্চলে জলদস্যুদের আস্তানা ছিল বলে উল্লেখ করেন।
প্রচলিত লোককথা অনুযায়ী, মোঘল সম্রাট আমলে এখানকার একটি বিশেষ উদ্ভিদের ফল দেখতে সিঙ্গারের মতো ছিল।এই ফলের নামানুসারে বিলটির নাম হয় “সিঙ্গার চলনবিল”। কালের বিবর্তনে এটি “সিংড়া” নামে পরিচিতি লাভ করে। ৫৩১ বর্গ কিলোমিটারের সমন্বয়ে একটি পৌরসভা ও ১২ টি ইউনিয়ন নিয়ে সিংড়া উপজেলা গঠিত যেখানে আনুমানিক ৫ লাখ লোকের বসবাস।
১৮৬৯ সালে গঠিত সিংড়া থানাটির বেশ কিছু বিল্ডিং এখনো বিদ্যমান রয়েছে। থানা প্রতিষ্ঠার ইতিহাস পর্যালোচনা করলেই বুঝা যায় সিংড়া জনপদ কত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রাচীন।
আপনারা যে ভবনটি দেখছেন এটাই সিংড়া থানা ভবন, একসময় এই বিল্ডিংটি ছিল অফিসার ইনচার্জ এর অফিস। খুব শিগগিরই পুরাতন জরাজীর্ণ লাল দালান গুলি ভবন ভেঙে নতুন আঙ্গিকে আধুনিক সিংড়া থানার নির্মাণ কাজ শুরু হতে যাচ্ছে।
আজকে বিকেলে মহাসড়কে সিংড়া থানায় পুরাতন লাল বিল্ডিং এর সামনে ছবি তুললাম। আমাদের সাথে সিংড়া উপজেলার নির্বাহী অফিসার UNO জনাব মাজহারুল ইসলাম যোগদান করলেন।
উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা সহ এবং সকল কর্মকাণ্ডে সিংড়া থানা পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
Leave a Reply