1. pszxbqua@oonmail.com : angelastine3 :
  2. ashelyculver@poochta.ru : ashelyculver8 :
  3. hthvlixr@mailkv.com : charlene45s :
  4. liubomir8745@gmail.com : creatanlije :
  5. sirazul2664@gmail.com : dakhinbongonews : দক্ষিণবঙ্গনিউজ ২৫.কম
  6. diarly@teml.net : diarly@teml.net :
  7. gisdosmh@mailkv.com : hassanrude7 :
  8. jordozognu@gufum.com : jordozognu :
  9. Nadiburipaji@gmail.com : Nadia :
  10. nola_partee@poochta.ru : nolapartee02 :
  11. pamalaisom@spacemaiil.ru : pamalaisom4 :
  12. patty_pokorny.8035@smass.store : pattypokorny7 :
  13. Shahneowanalam@gmail.com : Shahneowaj :
  14. Shahneowajalamkb@gmail.com : Shahneowajalam :
  15. shibuojha1997@gmail.com : shibu ojha :
  16. tara_benedict@poochta.ru : tarabenedict882 :
  17. vilma.ontiveros@poochta.ru : vilmaontiveros :
  18. fullermichaelsen980@kingsemails.com : wintermargin47 :
ইয়াসমিন নাহার এর ছোটো গল্প -ফোড়ন - dakhinbongonews25
সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সরকারকে বাংলাদেশ ন্যাপ : জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহন করুন সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি প্রত্যাশী বেগম রহিমা শিকদার জাতির উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা: নতুন ভোরের ডাক। আড়িয়লে ধানের শীষ প্রতীকের প্রচারণায় নির্বাচনী গণসংযোগ নাটোর-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী বিজয়ী মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ও গণতন্ত্র মঞ্চ মনোনীত প্রার্থী সাংবাদিক শেখ মো. শিমুল গনসংযোগ ব্যস্ত সময় পার করছেন। টঙ্গীবাড়িতে ধানের শীষের নির্বাচনী গণসংযোগ মুন্সীগঞ্জে টঙ্গীবাড়ীতে হাতপাখা মার্কায় গনসংযোগ ও উঠান বৈঠকে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিল্লাল টঙ্গীবাড়ীতে হাতপাখা মার্কায় গনসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিল্লাল হোসাইন। মুন্সীগঞ্জ -৩ আসনে বাগমামুদালী পাড়ায় ধানের শীষের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত।
বিজ্ঞাপন
★বইমেলা-২০২৬★ বইমেলার ২০২৬ উপলক্ষে আমাদের প্রস্তুতি বেশ ভালো, অনেকগুলো নতুন পাণ্ডুলিপির কাজও চলমান। সম্মানীত লেখকদের বলছি, আগামী বইমেলার জন্য লেখা প্রস্তুতের এখনই উপযুক্ত সময়। কেন বলছি? কারণ পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করলে নির্ভুল সম্পাদনা, পাঠকপ্রিয় ও মানসম্মত বই প্রকাশের সুযোগ থাকে বেশি। তাই পাণ্ডুলিপি নির্বাচন ও প্রস্তুতের এখনি উপযুক্ত সময়। মনে রাখবেন, পাণ্ডুলিপি ২৫টি ধাপ পেরিয়ে পর্যায়ক্রমে একটি বই হয়। তাই মানমম্মত বই প্রকাশ করতে হলে যথেষ্ঠ সময়েরও প্রয়োজন। আগামী বইমেলায় সপ্তর্ষি প্রকাশন এর সাথে যারা যুক্ত হতে চান তারা যোগাযোগ করতে পারেন। ধন্যবাদ। Shibu Chandra Ojha প্রকাশক, সপ্তর্ষি - Saptarshi ৩৭/১ খান প্লাজা, তৃতীয় তলা, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০ ফোনঃ 01714225520/01712158340 হোয়াটস অ্যাপ -01318403248 ই-মেল:shibuvgco@gmail.com

ইয়াসমিন নাহার এর ছোটো গল্প -ফোড়ন

  • সর্বশেষ আপডেট মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭০ বার দেখা হয়েছে

ফোড়ন

হাতে কিছু জিরা নিয়ে খুব টেনশন মাথায় দাঁড়িয়ে আছে সুমি। চোখ মন সব সামনে থাকা ফোড়নের কড়াই এর দিকে। ওর মা ডালে ফোড়ন দেবেন। রসুন আর পেঁয়াজ শীল পাটায় অল্প করে থেঁতো করে তেলে ছেড়ে দিয়েছেন। জোর আঁচে ঘন ঘন খুন্তি নাড়ছেন যেন লেগে না যায়। সুমির দায়িত্ব হলো তেলে থাকা পেঁয়াজ আর রসুন যখনই লালচে হয়ে যাবে, তার মধ্যে জিরে ছেড়ে দেয়া। মা চটপট করে সেই জিরে ভাজা পেঁয়াজ রসুনের সাথে মিশিয়ে নেবেন। এরপর একটু পরেই এক হাতা ডাল সেই ফোড়নের মধ্যে ঢেলে দিয়ে ভালো করে ডলে ডলে পেঁয়াজ রসুন জিরে ডালের সাথে মিশিয়ে দেবেন। সারা বাড়ি ডালের ফোড়নের গন্ধে ম ম করবে। ১৫ সদস্যের এই যৌথ পরিবারে সুমির মায়ের ডাল রান্নার ভীষণ সুনাম। আর সুমির দায়িত্ব হলো একদম সময়মত জিরেগুলো ছেড়ে দেয়া। সুমি বার বার জিজ্ঞেস করে – ও মা, এখন দেবো? না রে সোনা, পেঁয়াজ রসুন আরেকটু ভাজা ভাজা হোক। সুমির কেমন টেনশন লাগে, ঠিক সময়ে দিতে পারবে তো? না হলে তো ডালের স্বাদ ঠিকঠাক আসবে না! সুমির টেনশন দেখে ওর মা হাসে। সুমির আর কোনো কাজ নেই শুধু পড়াশোনা করা। বাড়িতে অনেক লোক, দাদী, ফুফু, চাচী। ওর কোনো কাজই করা লাগে না। শুধু এই কাজটুকুই সে খুব আগ্রহ নিয়ে করে। অবশ্য বাবা জানতে পারলে খুব বকা দেবে। উনার একটাই ইচ্ছা- মেয়ে লেখাপড়া করবে, অনেক বড়ো হবে।

২০ বছর পরের কথা..

সৌমিক আহমেদ সুমি, কর্পোরেট জগতে পরিচিত নাম। বিভিন্ন কোম্পানি মুখিয়ে থাকে তাকে নেয়ার জন্য। HR হিসেবে সে দূর্দান্ত। আবার যে কোনো প্রজেক্টে লাগিয়ে দিলে যে ভাবেই হোক সফল করে আনবেই।

কিন্তু, ঘরে মানে ওর সংসারে সুমি শুধুই সুমি। সুমির বর বড় ব্যবসায়ী, পারিবারিকভাবে বিয়ে। বনেদি পরিবার। এখন অবশ্য যে যার মতো। সুমির চাকরি কাজ কর্মে ওর বর সোহানের কোনো আপত্তি নেই। শর্ত একটাই- সুমিকে নিজ হাতে খাবার বানাতে হবে। সোহানের খাবারের ব্যাপারে বড্ড নাক উঁচু। যেমন তেমন রান্না আবার বাসি খাবার পছন্দ হয় না। সুমি ঘরে ঢুকেই আগে পোষাক পালটে নেয়। হাত মুখ ধুয়ে সোজা রান্না ঘরে ঢোকে। এক কাপ কফি বানায় সেটা খেতে খেতে রান্নার কাজ শুরু করে। ছেলে মেয়ে দুইজনও বাবার মতোই হয়েছে – যে সে রান্না পছন্দ হয় না!
ওদের আজ বায়না হলো প্লেইন পোলাও, শাহী চিকেন রোস্ট আর ডিমের কোর্মার। দুইটা প্রেজেন্টেশন ছিলো, মাথার তালু জ্বলছে সুমির। মাথায় একটু পানি ঢালে। কোর্মার জন্য সিদ্ধ করে রাখা ডিমগুলো লবণ আর খুব সামান্য হলুদ দিয়ে তেলের মধ্যে ছেড়ে দেয়। বেখেয়ালি ছিলো বোধ হয় ছ্যাঁত করে উঠা তেল ছিঁটকে ওর হাতে এসে পড়ে। মুখ দিয়ে ব্যাথাসূচক শব্দ বের হয় – আহ!

তাড়াতাড়ি পানি ঢালে। কাজের লোককে বলে পোড়ার মলম আনতে। কেমন যেন জ্বলতে থাকে। সেই সাথে মনের মধ্যেও জ্বলতে থাকে। দুই হাতে নানান রকম তেল ছিঁটে, কাটা পোড়ার দাগ। ঠিক এমনই দাগ ছিলো ওর মায়ের, এর চেয়ে অনেক বেশি। অনেক লোকের রান্না করতে হতো। এতো মলম দেয়ার সময়ও ছিলো না। পুড়ে গেলে পানি ঢেলে নারকেলের তেল দিয়ে রাখতো আর কেটে গেলে হলুদ।
ইদানীং মায়ের কথা খুব মনে পড়ে সুমির। বড়ো পরিবারে ঠিকমতো খেতেই পারে নি। কোনো কিছু কম পড়লে সেটা ঘরের বউদের পাতেই কম পড়তো। আস্ত ডিম খুব কম আসতো। এমন না যে ওদের অভাব ছিলো কিন্তু ঘরের বউদের জন্য আবার এতো খাবার কিসের! আত্নীয় স্বজন আসলে রান্নার চাপ বেশি হলে সকাল আর দুপুরের খাবার সেই একসাথে শেষ বিকেলেই করে ফেলতো। অর্থকষ্ট ছিলো না কিন্তু যত্ম করার লোকের অভাবে ওর মায়ের খাওয়ার কষ্ট থেকেই যায়। তারপর যখন হাড়ি আলাদা হলো, সুমির ভায়েরা ভালো চাকরি শুরু করলো তখন আর মায়ের খাওয়ার অবস্থা ছিলো না। নানান রোগে আক্রান্ত হয়ে স্বল্প রিজিক নিয়ে আসা তার মা দুনিয়া ছেড়েই চলে গেলেন!

সুমির বাবা চাইতেন তার মেয়ে বড়ো হোক, বড়ো চাকরি করুক টাকা উপার্জন করুক। সেটা তো সুমি করছে। কিন্তু যে চক্রে ওর মা আঁটকে ছিলো সেখান থেকে কি বের হতে পেরেছে? অফিস করে রান্না করে সুমির খাওয়ার ইচ্ছাই থাকে না অধিকাংশ দিন। না খেয়েই ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে যায়। স্বামী, ছেলে, মেয়ে সবাই ওর হাতের রান্না চেটেপুটে খায়। কিন্তু কই, কেউ তো বলে না, সুমি কেনো খাচ্ছে না? ছেলে, মেয়ে দুইজনই খাবার প্লেটে নিয়ে নিজের নিজের ঘরে চলে যায়। কোনো মুভি দেখতে দেখতে পা দোলাতে দোলাতে খায়। সুমির বর একটু রাত করে ফেরে। না, সুমিকে বসে থাকতে হয় না। বাঁধা বুয়া আছে সে খাবার গরম করে দিলে ড্রইং রুমে টিভি ছেড়ে আরাম করে খায়। খালি খোঁজ টুকু কেউ নেয় না। সবাই ব্যক্তি স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। সুমির হয়তো খেতে ইচ্ছে করছে না, তো জোর করার কী আছে!

পোলাও রান্নার শেষে আরেকটু ঘী ছড়িয়ে দেয়। রোস্ট আর ডিমের কোর্মার রঙ বলে দিচ্ছে দারুণ হয়েছে খেতে। আজ রান্না শেষ করে ভালো করে গোসল করে সুমি। কাজের মেয়েটাকে বলে শশা লেবু কেটে রাখতে। একদম ফ্রেশ হয়ে বসে গরম গরম পোলাও রোস্ট নিয়ে বসে খেতে। কাজের মেয়েটা অবাক হয়, তাকেও বলে প্লেটে করে খাবার তুলে নিতে।

– ওরে খাও তো। রান্না তো আমরাই করি। আমাদেরই আগে খাওয়া উচিৎ। আর যার যখন ক্ষুধা লাগবে নিয়ে খেয়ে নেবে। রোস্টটা মজা হয়েছে রে!

মেয়েটা অবাক হয়েই থাকে। আজ আপার কী হয়েছে? এমন তো করে না। বরং খায় না ঠিকঠাক। সে নিজেই কতোদিন বলেছে, আপা ঠিকমতো না খেলে অসুস্থ হয়ে যাবেন!

আজ সুমিকে তৃপ্তি নিয়ে খেতে দেখে ওর খুব ভালো লাগে। ক্ষুধার কষ্ট ওদের চেয়ে ভালো কে জানে!
(সমাপ্ত)

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
©দৈনিক দক্ষিণবঙ্গনিউজ২৫.কম এর সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৩-২০২৫
❤️Design With Tamim Zarif