শিক্ষার বেসরকারীকরণ ও বাণিজ্যিকীকরণ রুখে দাও’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে বিপ্লবী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এক বর্ণাঢ্য মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৫ এপ্রিল, শনিবার দুপুর ১:৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের টি এস সি থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ স্থান সমূহ প্রদক্ষিণ করে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
সমাবেশে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অজয় রায়ের সঞ্চালনায় ও কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক বিশ্বজিৎ শীল-এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব রেহেনা পারভিন খুশি।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, রাষ্ট্র পরিকল্পিতভাবে শিক্ষাকে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে নিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষা এখন অধিকারের বদলে পণ্যে রূপান্তরিত হয়েছে।
স্বাধীন সার্বভৌম দেশে শিক্ষা হওয়া উচিত ছিল বৈষম্যহীন এবং সার্বজনীন। কিন্তু বাস্তবতা আজ ভিন্ন।
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে একের পর এক ফি বাড়ানো হচ্ছে, উন্নয়ন ফির নামে শিক্ষার্থীদের পকেট কাটা হচ্ছে। অন্যদিকে, ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষাকে মুনাফা লোটার কারখানায় পরিণত করেছে। যারা টাকা দিতে পারবে তারাই কেবল উচ্চশিক্ষা পাবে এই বিভাজন আমরা মানি না।
আমরা কেবল সার্টিফিকেটধারী শিক্ষিত বেকার তৈরি করতে চাই না। আমাদের প্রয়োজন একটি বিজ্ঞানভিত্তিক, সেক্যুলার এবং গণমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা।
বক্তারা ক্যাম্পাসে দখলদারিত্বের অবসান ঘটিয়ে সুস্থ ধারার গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান।
বিশ্বজিৎ শীল বলেন, “বিপ্লবী ছাত্র আন্দোলন প্রতিষ্ঠার লগ্ন থেকেই সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে আপসহীন লড়াই চালিয়ে আসছে। বর্তমান সময়ে শিক্ষার বেসরকারীকরণ ও বাণিজ্যিকীকরণের যে নীল নকশা চলছে, তার বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষার ব্যয়ভার রষ্ট্রকে গ্রহণ করতে হবে।”
Leave a Reply