গ্রামীণ জীবনের শীত
শীত এল ধীরে, নরম কুয়াশার চাদর মেলে,
ধূসর ভোরে কাঁপে মাঠের শিশিরভেজা খেল।
ধানের খড়ে জ্বলে আগুন, উঠোনে ধোঁয়ার ঢেউ,
বৃদ্ধ কৃষক কাঁধে গামছা, টানেন জীবনের নৌ।
গাছে পাতা কমে গেছে, নদীর স্রোতও থমকে,
গরুর গাড়ি চলে ধীরে কুয়াশার পর্দা ভেদে।
মেঠো পথে শিশুরা দৌড়ায়, শাল পাতার ছায়ায়,
শীতল হাওয়া বয়ে যায় মাঠে, রোদ পড়ে আলস্যে।
পিঠা-পায়েসের গন্ধে ভরে যায় গ্রামবাংলা,
চুলোর পাশে বসে দাদি, গল্প বলে রাত্রি ভরা।
নকশিকাঁথায় জড়িয়ে নাতি শোনে সেই পুরনো দিন,
যখন আষাঢ়ে নদী ফুলে, ভাসে পালের নৌকা তিন।
বর্ষা আসে, শরৎ আসে, হেমন্তে সোনার ধান,
তারপর আসে এই শীত, শান্ত নিরব প্রাণ।
চৈত্রের তাপে শুকায় নদী, গ্রীষ্মে ফসল পোড়ে,
তবু শীতে পায় শান্তি প্রাণ, হিমেল হাওয়া ঘোরে।
কৃষাণীর হাতে উনুন জ্বলে, হাসি ফোটে মুখে,
মুড়ি-গুড়ে সকাল কাটে, জীবনের সুখে।
আবহমান বাংলার বুকে এই শীত এক রঙিন গান,
সরল প্রাণে মিশে আছে প্রকৃতির সেই দান।
মাঠে ধোঁয়া, গাছে শিশির, আকাশে মলিন রোদ,
গ্রামীণ শীত এক নিঃশব্দ কবিতা, ছোঁয় হৃদয়ের সুরভিত শোধ।
এখানে ঋতুর খেলায় চলে জীবনের প্রমাণ,
বাংলার শীত এক স্নিগ্ধ ছবি, এক চিরন্তন জান।
মোঃ দেলোয়ার হোসাইন
শীত এল ধীরে, নরম কুয়াশার চাদর মেলে,
ধূসর ভোরে কাঁপে মাঠের শিশিরভেজা খেল।
ধানের খড়ে জ্বলে আগুন, উঠোনে ধোঁয়ার ঢেউ,
বৃদ্ধ কৃষক কাঁধে গামছা, টানেন জীবনের নৌ।
গাছে পাতা কমে গেছে, নদীর স্রোতও থমকে,
গরুর গাড়ি চলে ধীরে কুয়াশার পর্দা ভেদে।
মেঠো পথে শিশুরা দৌড়ায়, শাল পাতার ছায়ায়,
শীতল হাওয়া বয়ে যায় মাঠে, রোদ পড়ে আলস্যে।
পিঠা-পায়েসের গন্ধে ভরে যায় গ্রামবাংলা,
চুলোর পাশে বসে দাদি, গল্প বলে রাত্রি ভরা।
নকশিকাঁথায় জড়িয়ে নাতি শোনে সেই পুরনো দিন,
যখন আষাঢ়ে নদী ফুলে, ভাসে পালের নৌকা তিন।
বর্ষা আসে, শরৎ আসে, হেমন্তে সোনার ধান,
তারপর আসে এই শীত, শান্ত নিরব প্রাণ।
চৈত্রের তাপে শুকায় নদী, গ্রীষ্মে ফসল পোড়ে,
তবু শীতে পায় শান্তি প্রাণ, হিমেল হাওয়া ঘোরে।
কৃষাণীর হাতে উনুন জ্বলে, হাসি ফোটে মুখে,
মুড়ি-গুড়ে সকাল কাটে, জীবনের সুখে।
আবহমান বাংলার বুকে এই শীত এক রঙিন গান,
সরল প্রাণে মিশে আছে প্রকৃতির সেই দান।
মাঠে ধোঁয়া, গাছে শিশির, আকাশে মলিন রোদ,
গ্রামীণ শীত এক নিঃশব্দ কবিতা, ছোঁয় হৃদয়ের সুরভিত শোধ।
এখানে ঋতুর খেলায় চলে জীবনের প্রমাণ,
বাংলার শীত এক স্নিগ্ধ ছবি, এক চিরন্তন জান।
Leave a Reply