কবিতা :দুর্নীতিগ্রস্ত সংগঠন”
কলমে: শাহজালাল বখতিয়ার লিটু
তারিখঃ ১৩/১/২৬
ইতালী, রোম।
তুমি সাহিত্য, সংস্কৃতির,সম্প্রীতির জন্য গড়ো সংগঠন।
নামে নানে শত নামে সংগঠনের নীতি নাই,
আদর্শ নাই বাড়াও কেন অঘটন?
এটা কি তোমার সাহিত্য সৃষ্টির কাজ?
কর্মে নাই তোমার গুণ নেই কোন রকম শরম, লাজ।
জ্ঞান অর্জন মানে তো সাহিত্যচর্চা।
তোমার আলো জ্বলবে সুনামের পরর্চা।
সুদীপ্ত জ্ঞানের আলো জালাও খুলো অন্ধকারের দরজা।
এই নিয়ম সেই নিয়ম নিয়মের নাই অভাব।
এট কি সাহিত্য সৃস্টিতে সৃষ্টি সুখের উল্লাসের স্বভাব?
পণ করো ধ্যান করো, শৃঙ্খল ভাংগ সৃজনের আগ্রহের জন্য নেই কোন মনোভাব।
নতুন নতুন সৃস্টির বাধা দান কেন তুৃমি কর?
পুরাতন কে ভুলে নতুনত্ব সৃষ্টি গ্রহণে অর্জন করো।
কিছু দুষ্ট লোকের নামের সাথে বাড়াতে চায় সম্মান।
কিছু না করে নিজের নাম প্রদর্শনের চেষ্টা করো দেখাও সর্বজ্ঞানীর জ্ঞানে দেখাও মান ।
তাতে কি সৃষ্টিতে,সম্মানে তোমার বাড়ে মান?
সৃষ্টির সেরা জীব তুমি, একথা তুমি জান?
তাহলে কেন সাহিত্যের নামে পরের টাকা আনো?
টাকা টাকা কর তুমি টাকা কি সম্মান?
এসব তুমি বাদ দিয়ে সৃস্টিতে দাও মন।
এ সব না করে ভিক্ষা করো তাতে শোভা পায় ।
এতে করে লাভ হবে সৃষ্টিতে যে হবে জয়।
সৃজনশীলতা মানুষের কল্যাণ করো পাবে তুমি স্বসম্মান ।
সাহিত্য সংগঠম করো কবিতা কি তুমি জান?
নিজে কাব্য জেনে অন্য কে মূল্যায়নে আনো।
সৃষ্টি জগতের সেরা মানুষেরা অবহেলার নয়।
সৃষ্টি যারা করতে জানে তারা কি নিজেরা কয়?
মরণের পরে সম্মানের স্মারক তারা বুঝে চিরতরে পায়।
মহাজ্ঞানী, মহামানবী, সর্বলোকে,পন্ডিতেরা কয়।
সংগঠনের নামে সভাপতি, কাজে নাই কোন গতি!
চালাও নিজের সবজান্তার শমসের সারমর্মে যে নাই মতি।
কিছু লোকের লালসার মোহে সাহিত্য চর্চার হারায় জ্যোতি।
এটা নয়তো সৃজনশীলতার, সৃজনের সু-নীতি,
এগুলো বাদ দাও নইলে হবে তোমার দূরগতি।
সৃষ্টিলতার উল্লাসে চিত্ত যদি নিত্য না নাচতে দাও!
সাহিত্য গল্প, কাব্য, প্রবন্ধ সৃষ্টি করতে জানে যারা
সৃষ্টি জগতের বৈচিত্র্যময়তার সৃষ্টিরধারক তারা,
তাদের দীপ্ত আলো, মুক্ত আলো, জ্বালাতে দাও।
স্বার্থের কাজ,মন্দ কাজ এগুলোর স্বভাব ছাড়ো।
ভালো তুমি হও আর না হলে নিজে নিজেকে দুই মরণে মারো।
Leave a Reply