1. pszxbqua@oonmail.com : angelastine3 :
  2. ashelyculver@poochta.ru : ashelyculver8 :
  3. hthvlixr@mailkv.com : charlene45s :
  4. liubomir8745@gmail.com : creatanlije :
  5. sirazul2664@gmail.com : dakhinbongonews : দক্ষিণবঙ্গনিউজ ২৫.কম
  6. diarly@teml.net : diarly@teml.net :
  7. gisdosmh@mailkv.com : hassanrude7 :
  8. jordozognu@gufum.com : jordozognu :
  9. Nadiburipaji@gmail.com : Nadia :
  10. nola_partee@poochta.ru : nolapartee02 :
  11. pamalaisom@spacemaiil.ru : pamalaisom4 :
  12. patty_pokorny.8035@smass.store : pattypokorny7 :
  13. Shahneowanalam@gmail.com : Shahneowaj :
  14. Shahneowajalamkb@gmail.com : Shahneowajalam :
  15. shibuojha1997@gmail.com : shibu ojha :
  16. tara_benedict@poochta.ru : tarabenedict882 :
  17. vilma.ontiveros@poochta.ru : vilmaontiveros :
  18. fullermichaelsen980@kingsemails.com : wintermargin47 :
লেখক মোঃ সাইফুদ্দিন গিয়াস এর ছোটগল্প-হৃদয়ে রক্তক্ষরণ - dakhinbongonews25
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০২:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
 জনস্বার্থে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিল করুন : বাংলাদেশ ন্যাপ গণঅধিকার পরিষদ পাবনা জেলা কমিটির অনুমোদন ‎গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, অধিকার ও জাতীয়স্বার্থ স্লোগানের সংগঠন “গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) পাবনা জেলা শাখা কমিটি ঘোষণা করা হয়। ‎ ফারাক্কা বাংলাদেশের মত ভারতের জন্যও অভিশাপে পরিনত হয়েছে : গোলাম মোস্তফা আসন্ন রামপাল ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হবেন মোহাম্মদ হোসেন পুস্তি সরিকল ইউনিয়নকে আদর্শ ইউপিতে রুপান্তর করতে চেয়ারম্যান হতে চান মিরন ৫ নং ধাওয়া ইউনিয়নে জনপ্রিয়তার শীর্ষে ছাএনেতা মোহাম্মদ সম্রাট সিকদার। ৫ নং ধাওয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিশিষ্ট আইনজীবী ও তরুণ সংগঠক মোহাম্মদ সম্রাট সিকদার  ইকড়ি ইউনিয়নে পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে, আলোচনায় শীর্ষে এস.এম.এ আলীম সরকারকে বাংলাদেশ ন্যাপ : জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহন করুন সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি প্রত্যাশী বেগম রহিমা শিকদার
বিজ্ঞাপন
★বইমেলা-২০২৬★ বইমেলার ২০২৬ উপলক্ষে আমাদের প্রস্তুতি বেশ ভালো, অনেকগুলো নতুন পাণ্ডুলিপির কাজও চলমান। সম্মানীত লেখকদের বলছি, আগামী বইমেলার জন্য লেখা প্রস্তুতের এখনই উপযুক্ত সময়। কেন বলছি? কারণ পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করলে নির্ভুল সম্পাদনা, পাঠকপ্রিয় ও মানসম্মত বই প্রকাশের সুযোগ থাকে বেশি। তাই পাণ্ডুলিপি নির্বাচন ও প্রস্তুতের এখনি উপযুক্ত সময়। মনে রাখবেন, পাণ্ডুলিপি ২৫টি ধাপ পেরিয়ে পর্যায়ক্রমে একটি বই হয়। তাই মানমম্মত বই প্রকাশ করতে হলে যথেষ্ঠ সময়েরও প্রয়োজন। আগামী বইমেলায় সপ্তর্ষি প্রকাশন এর সাথে যারা যুক্ত হতে চান তারা যোগাযোগ করতে পারেন। ধন্যবাদ। Shibu Chandra Ojha প্রকাশক, সপ্তর্ষি - Saptarshi ৩৭/১ খান প্লাজা, তৃতীয় তলা, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০ ফোনঃ 01714225520/01712158340 হোয়াটস অ্যাপ -01318403248 ই-মেল:shibuvgco@gmail.com

লেখক মোঃ সাইফুদ্দিন গিয়াস এর ছোটগল্প-হৃদয়ে রক্তক্ষরণ

  • সর্বশেষ আপডেট বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬
  • ৩৩ বার দেখা হয়েছে
হৃদয়ে রক্তক্ষরণ (ছোটগল্প)
………………………………
তিন ভাই-বোনের মধ্যে মোহাম্মাদুল্লাহ সবার বড়। তার বাবা, সাইফুদ্দিন গিয়াস, সরকারি চাকরিজীবী। চাকরির প্রয়োজনে আজ এক জেলা, কাল আরেক জেলা—এভাবেই কেটে যাচ্ছে তাদের জীবন।
২০২২ সালের মে মাসে বাবার বদলি হলো শরীয়তপুর জেলায়। নতুন শহর, নতুন পরিবেশ, নতুন মানুষ। পালং তুলাসার সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি করা হলো মোহাম্মাদুল্লাহকে। স্কুল আর বাবার অফিসের মাঝামাঝি একটি ছোট্ট ভাড়া বাসায় শুরু হলো তাদের নতুন জীবন।
প্রথম দিকে ছেলেটি ছিল ভীষণ চুপচাপ। স্কুল থেকে ফিরে জানালার পাশে বসে থাকত। সহপাঠীদের সঙ্গে খুব একটা মিশত না। তার ছোট্ট মনটি হয়তো এখনো আগের জায়গার বন্ধুদের খুঁজে ফিরত।
কিন্তু সময় বড় জাদুকর। ধীরে ধীরে ক্লাসে বন্ধু বাড়তে লাগল। রফিক স্যারের স্নেহ, মমতা আর উৎসাহে মোহাম্মাদুল্লাহ শুধু লেখাপড়াতেই নয়, খেলাধুলাতেও দক্ষ হয়ে উঠল।
স্কুল ছুটি হলেই তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরত। কোনোমতে দুমুঠো ভাত মুখে দিয়ে ছুটে যেত ডিসি অফিসের সামনের খোলা মাঠে। সেখানে ফুটবল ছিল তার প্রাণ। প্রতিদিনের অনুশীলন আর নিষ্ঠায় বড় ভাইদের মাঝেও সে হয়ে উঠেছিল প্রিয় একজন।
ছুটির দিনগুলো ছিল আরও আনন্দময়। সকালবেলা নাস্তা সেরে বন্ধু মোর্তুজার সঙ্গে ছুটে যেত রফিক স্যারের বাসার পাশের মাঠে। হাসি, দৌড়ঝাঁপ, ফুটবল আর বন্ধুত্বে ভরে উঠেছিল তার শৈশবের দিনগুলো।
দেখতে দেখতে মোহাম্মাদুল্লাহ তৃতীয় শ্রেণিতে উঠে গেল।
ঠিক তখনই এলো সেই খবর, যা তার ছোট্ট পৃথিবীটাকে মুহূর্তে ভেঙে দিল।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বাবার আবার বদলির আদেশ এলো—এবার ঢাকা।
খবরটা শোনার পর যেন ছেলেটার মুখের হাসি কোথায় হারিয়ে গেল। সে বারবার বাবাকে জিজ্ঞেস করত,
— “বাবা, আমি বন্ধুদের ছেড়ে কীভাবে যাব?”
— “বাবা, ওদের ছাড়া কি থাকা যায়?”
কোনো উত্তরই যেন তার মনকে শান্ত করতে পারত না।
খাওয়া-দাওয়া প্রায় ছেড়ে দিয়েছিল সে। জানালার পাশে বসে দূরে তাকিয়ে থাকত। মাঝে মাঝে গভীর রাতে ঘুম ভেঙে কান্না করত। ছোট্ট বুকের ভেতর যে কত বড় ঝড় বইছিল, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো ছিল না।
অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে বাবা ঢাকায় যোগদান করলেন। কিন্তু ছেলের বার্ষিক পরীক্ষার কথা বিবেচনা করে পরিবার শরীয়তপুরেই থেকে গেল ডিসেম্বর পর্যন্ত।
প্রতিটি দিন যেন বিদায়ের দিকে আরেকটি পদক্ষেপ।
ডিসেম্বরের ২০ তারিখ বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হলো। কিন্তু একটি বেসরকারি বৃত্তি পরীক্ষা—”ফাতেমা মেধা বৃত্তি”—থাকায় আরও কয়েকদিন অপেক্ষা করতে হলো।
অবশেষে ২৪ ডিসেম্বর।
বৃত্তি পরীক্ষা শেষ করে বাসায় ফেরার পথে হঠাৎ মোহাম্মাদুল্লাহ দৌড় দিল বিদ্যালয়ের দিকে।
বাবা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন,
— “কোথায় যাচ্ছ বাবা?”
ছেলেটি কাঁপা গলায় বলল,
— “স্যারদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে আসি বাবা। কাল তো চলে যাব…”
কথাগুলো শুনে বাবার বুকটা মোচড় দিয়ে উঠল।
কিছুক্ষণ পর মোহাম্মাদুল্লাহ ফিরে এলো। চোখ দুটো লাল।
— “স্কুলে কেউ নেই বাবা…”
এই কয়েকটি শব্দে কতটা কষ্ট লুকিয়ে ছিল, তা হয়তো শুধু একজন বাবাই বুঝতে পারেন।
বাবা সব বুঝেও না বোঝার ভান করলেন। নীরবে ছেলেটির হাত ধরে বাসায় ফিরলেন।
সেদিন বিকেলে ছিল তার শরীয়তপুরে শেষ ফুটবল খেলা।
ডিসি অফিসের সামনের সেই মাঠে বন্ধুদের সঙ্গে প্রাণভরে খেলল সে। সূর্য যখন পশ্চিম আকাশে হেলে পড়ল, খেলা শেষ হলো। একে একে বন্ধুদের বুকে জড়িয়ে ধরল।
কারও চোখে জল, কারও কণ্ঠে কান্না।
মোহাম্মাদুল্লাহ যখন ভারী পায়ে বাসার দিকে ফিরছিল, তখন মনে হচ্ছিল সে শুধু একটি মাঠ নয়, তার শৈশবের সবচেয়ে সুন্দর দিনগুলোকে পেছনে ফেলে যাচ্ছে।
ছেলের সেই নীরব কষ্ট দেখে বাবা আর নিজেকে সামলাতে পারলেন না। ঘরের এক কোণে দাঁড়িয়ে তিনি নিঃশব্দে কেঁদে উঠলেন।
২৫ ডিসেম্বর ২০২৪।
দুপুর প্রায় বারোটা।
গাড়ি ধীরে ধীরে শরীয়তপুর ছেড়ে ঢাকার পথে এগিয়ে চলল।
মোহাম্মাদুল্লাহ জানালার পাশে বসে ছিল। গাড়ি যত সামনে এগোচ্ছিল, ততই পিছিয়ে যাচ্ছিল তার প্রিয় স্কুল, প্রিয় মাঠ, রফিক স্যার, মোর্তুজা আর অসংখ্য স্মৃতি।
সে বারবার পিছনের দিকে তাকাচ্ছিল।
আর চোখের কোণে জমে থাকা জল হাতের পিঠ দিয়ে মুছে ফেলছিল।
শরীয়তপুর তখন অনেক দূরে।
কিন্তু ছোট্ট ছেলেটির হৃদয়ে রয়ে গেল এক টুকরো শহর, এক টুকরো মাঠ, আর কিছু মানুষের অমলিন ভালোবাসা—যাদের থেকে বিদায় নেওয়া যায়, কিন্তু কখনো ভুলে যাওয়া যায় না।
সময়ের স্রোতে মানুষ অনেক জায়গা বদলায়, কিন্তু শৈশবের প্রথম বন্ধু আর বিদায়ের প্রথম কান্না চিরকাল হৃদয়ের গভীরে অমলিন থেকে যায়।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
©দৈনিক দক্ষিণবঙ্গনিউজ২৫.কম এর সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৩-২০২৫
❤️Design With Tamim Zarif