কবিতা-ডাকাতিয়া নদী. এই ত জেলা চাঁদপুরের বুকের উপর দিয়া কালো জলের স্রোত বইয়া যাইত ডাকাতিয়া এই যে নদীর গা ঘেঁষিয়া বসত কত হাট এক পাশে তার গাঁয়ের পথ অন্য পাশে
রং পিপাসা ভীষণ রঙিন সাজে আজ সবুজ স্বদেশ। একটু একটু করে রং ঢালে বসন্ত পাতায় বুকে তাঁদের অশান্ত উড়ে যাবার ভয়। আকাশের নীলাভ কোমলতা অদ্ভূত দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে বাতাসে খসে
অপেক্ষা তোমাদের সাথে দেখা হবে বলে অপেক্ষায় থাকি, শিশিরের জল পায়ে হেঁটে যাই ঘোরলাগা রাতে,গাঢ় ঘুমে জেগে থাকে অসমাপ্ত রাত।প্রতিবেশী একখন্ড ভোরের জন্য উন্মুখ থাকি সারাটা প্রহর! কখন যে দেখা
শিশির বিন্দু ক্ষণিকের জন্য এলে মায়ায় জড়িয়ে, সবাইকে কাঁদিয়ে, আচমকা চলে গেলে। তোমায় হারিয়ে বিমর্ষ মন অজান্তেই তোমায় খুঁজে সারাক্ষণ, তুমি আজ দূর আকাশের তারা, তোমায় ছাড়া, স্বজন যারা নিদ্রাহীন,
অবেলায় মানুষের কষ্টগুলো ঝরে যায় , বসন্ত ফুলের মতো। ভোর হলেই ক্ষতচিহ্নের দাগ লেগে থাকে রাজহংসের কপালে। মহাকাশের প্রজ্বলিত উল্কার ওপিঠ জানতে চায়না একটু একটু করে অন্ধকারের গভীরতা আজ কতটুকু।
টেস এক আগুনের মেয়ে তোমার দেহ এক মানচিত্র যেখানে পুরুষেরা যুদ্ধ এঁকে যায় আর তুমি শুধু মাটি, জরায়ুর ভেতর ঘুমিয়ে থাকা এক নক্ষত্র। তারা বলে- তুমি পাপ। তোমার ত্বক তাদের
অরুন্ধতীর চিঠি-১ অনিরুদ্ধ, তুমি আর চিঠি দিও না আমাকে— এই শহরের লাল ডাকবাক্সগুলো এখন কেবল ক্লান্ত স্মৃতির স্তম্ভ; কখনো কখনো এক একটি ডাকবাক্স যেন এক একটি জংধরা ডাস্টবিন। যে কাগজে
দ্রোহী আমি বজ্রকন্ঠ মিছিলে দাঁড়ানো মুষ্টিবদ্ধ শত হাত, আমি গগনবিদাড়ি শ্লোগান “দুরাচার নিপাত যাক”। আমি বৈষম্যের বিরোধী প্রতিটি রক্ত রাঙ্গা প্রভাতে, আমি ধিক্কার জানাই, দূর্ণিতী, অপশাসন আর শোষনে প্রতি পদে
এ বৃষ্টির রাত অনেক দীর্ঘ হোক— আমি চেয়েছি শুধু— তোমার চোখে এক ফোঁটা ঘুম হোক আমার ঘর, ঝরে পড়ুক বিনা দোষের অন্তর্লিখিত পঙ্ক্তিমালা। জল ডোবা শহরে দীর্ঘ হোক কবিতার খাতায়
তোর চোখে চোখ দেখে যে মন পড়ে নিতে পারে তাকে এককথায় বলা যেতে পারে অন্তর্যামী। চোখের ভিতর যে স্বপ্ন দেখে তাকে ‘ভাবনার ভিতর একটু আলো’ বললেও দোষ হয় না। চোখ