জয় বাংলার পংক্তিমালা “জয় বাংলা” নিছক শব্দ বা স্লোগানমাত্র তো নয়, এ আমার পরিচয়, আমার দুর্বিনীত অহংকার। উচ্চারণেই রক্তে তুমুল তোলপাড়, পিছে ফিরে দেখা- বারুদের বীভৎস গন্ধ, বোনের লুণ্ঠিত সম্ভ্রম,
আমার বাবা ———-*———- হে মাঠের তপস্বী, হেমন্তের কাঁচা সোনা রোদে তোমার ফসলের ক্ষেত যখন শিল্পীর ক্যানভাস, তখন তার রঙিন তুলির টানে, কার মায়াবি রূপ ফুটে উঠে,তাকি তুমি চেয়ে দেখেছো!
হৃদয়ে ঘুণ পোকা হৃদয়ে ঘুণ পোকা বাসা বেঁধেছে নিঃশব্দে— যেমন অচেনা কোনো রাতের অন্ধকারে পুরোনো কাঠের গোপন গহ্বরে জন্ম নেয় ক্ষয়ের বীজ। উপরে সব ঠিকঠাক— নিশ্চিন্ত আকাশ নীল গাঢ়, মাঝে
নৈস্বর্গিক নৈস্বর্গিক সৌন্দর্য, কার না ভালো লাগে। যদি সেখানে পাহাড়-নদী, এক হয়ে মিশে। পাহাড় বলে আমি কত ছোট। হিমালয়ের তুলনায়। নদী বলে আমি ম্লান সাগরের উপমায়। আমরা তো উচ্চতায় পাহাড়ের
বিদায়ী স্বেদবিন্দুর সালতামামি প্রত্যুষে বিপন্নতার কালো ছায়া হামাগুড়ি দিয়ে এসে আমার দরজায় টোকা মারে। অলক্ষুণে দিনলিপির আয়না তুলে ধরে— সেখানে দেখি অবরুদ্ধ আকাশ, বিবর্ণ নক্ষত্র, এবং মানুষের মুখোশে ঘুরে বেড়ানো
শূন্যতার শীতল শৃঙ্খল॥ অশ্রুর অম্লান অণুতে অনুর্বর অরণ্য আঁধারে আচ্ছন্ন হয়ে থাকে, সেখানে আলো আসে না, আসে শুধু অবিরাম অবসাদের অদৃশ্য আবরণ। বুকের ভাঙা ভাষায় ব্যথার বহ্নি বয়ে চলে বারবার
মরণ মোর ,প্রিয়তমা, মরণ, হে মোর প্রিয়তমা , এসো হে ,এসো ,ওহে তিলোত্তমা , তব লাগি মোর হৃদয় দুয়ার খোলা! এই বাটে,মন মন্দিরে কখন পড়িবে তব চরণধুলা!! অনন্ত জীবন হাতে,দু’হাত
আমাদের যা শিখে যেতে হবে আমাদের যা শিখে যেতে হবে দূরত্ব ঘুচিয়ে যে কাছে আসতে জানে তার কোনো ডানা লাগে না, অন্যসব আবেগ পুড়িয়ে তাকে কখনো পাখি হতে হয় না,
দূরত্ব ঘুচিয়ে যে কাছে আসতে জানে তার কোনো ডানা লাগে না, অন্যসব আবেগ পুড়িয়ে তাকে কখনো পাখি হতে হয় না, তুমুল বর্ষণে দু’কূল ছাপিয়ে যাওয়া নদীর মতো বলতে হয় না—
তোমারে যে চাই অনেক কথা তোমাকে হয়নি বলা, যেমন শীতের শিশিরের কথা বলার আগেই শুকিয়ে যায়, তেমন আমারও কিছু ফুরিয়ে গেছে। ভেবেছি নিশীথ রজনী জাগে, মনে রেখ দুচোখের অতৃপ্ত আকুতি