প্রার্থনা অন্তরে তুমি রয়েছো হে প্রভু তুমি অন্তর্যামী , কখনো তোমায় ভুলে নাহি যাই না ভুলো আমায় তুমি । কত পাপ তাপ করেছি জীবনে ক্ষমা করো দীননাথ , যে পথে
জীবনের সবচেয়ে বড় নাটকটা কি জানো? আমি প্রতিদিন অভিনয় করি— স্বাভাবিক থাকার, হেসে কথা বলার, সব ঠিক আছে বলে দুঃখ কষ্টকে আড়াল করি। আর অন্যদিকে, তোমাকে ভুলে যাবার নানান বাহানা
কবিতা :দুর্নীতিগ্রস্ত সংগঠন” কলমে: শাহজালাল বখতিয়ার লিটু তারিখঃ ১৩/১/২৬ ইতালী, রোম। তুমি সাহিত্য, সংস্কৃতির,সম্প্রীতির জন্য গড়ো সংগঠন। নামে নানে শত নামে সংগঠনের নীতি নাই, আদর্শ নাই বাড়াও কেন অঘটন? এটা
পাওয়া-না-পাওয়া না পেতে পেতে পাওয়াটা এখন নিরর্থক মনে হয় কারো কারো জীবনে না-পাওয়াটাই তার সৌভাগ্য। ভাগ্য বলে যে কিছু আছে অনেকে তা মানে না বরং বলে এটা কর্মফল আমি জানি
দিগন্তের গর্ভপাত সময়ের বন্ধ্যাত্ব যদি পথের অন্ধত্বের সঙ্গে সন্ধি করে, সেখানে সকল সম্ভাবনা সর্বনাশের দোসর হয়ে মরে— ঠিক যেমন আলো মরে যায় জানালার সামনে দাঁড়িয়েই, কারণ ভেতরের ঘর আলো সহ্য
🌌 ডিভাইসে বন্দি জীবন 🌌 সকাতর চোখে দেখি- ঝলমলে ডিজিটাল পর্দার মায়াজাল কেমন করে নিঃশব্দে, ধীরে ধীরে আমাদের সন্তানদের টেনে নিচ্ছে দূরে। পরিবারের গল্পে ভরা সন্ধ্যা, আর ছুটির দিনের নির্মল
একই শহরে বহু দূরে একই শহরের কোল ঘেঁষে হাঁটি প্রতিদিন পথের ধুলো চেনে পা, মন চেনে স্মৃতি। যে বেঞ্চে বসে থামত আমাদের দুই দিন সেখানে আজ সময় রাখে না কোনো
আমরা তো অল্পে খুশি, কী হবে দুঃখ করে? আমাদের দিন চলে যায় সাধারণ ভাতকাপড়ে। চলে যায় দিন আমাদের অসুখে ধারদেনাতে রাত্তিরে দুভায়ে মিলে টান দিই গঞ্জিকাতে। সবদিন হয়না বাজার, হলে
মুড অফ সিরিয়াসলি বলছি— আজ শব্দেরা দরজা বন্ধ করে রেখেছে। তোমার নামের উচ্চারণটুকুও আমার ভেতরের নিঃশব্দ ঘরে ঢুকতে পারছে না। মুড যেন একটি ভাঙা লন্ঠন, যার সলতে ভিজে আছে ক্লান্তির
📖 খোঁজ নেও এখানে ছায়া পড়েছে শীতলতা অনুভব করছিলে! কিন্তু, ওখানে ত ছায়ার মাধ্যমটি খরতাপে ঝলসে যাচ্ছে- সে’ই খবর কী রাখ ? এপারে বসে ভাবছো, ওপারে খুব সুখ ! ভাবনা