অরুন্ধতীর চিঠি-১ অনিরুদ্ধ, তুমি আর চিঠি দিও না আমাকে— এই শহরের লাল ডাকবাক্সগুলো এখন কেবল ক্লান্ত স্মৃতির স্তম্ভ; কখনো কখনো এক একটি ডাকবাক্স যেন এক একটি জংধরা ডাস্টবিন। যে কাগজে
দ্রোহী আমি বজ্রকন্ঠ মিছিলে দাঁড়ানো মুষ্টিবদ্ধ শত হাত, আমি গগনবিদাড়ি শ্লোগান “দুরাচার নিপাত যাক”। আমি বৈষম্যের বিরোধী প্রতিটি রক্ত রাঙ্গা প্রভাতে, আমি ধিক্কার জানাই, দূর্ণিতী, অপশাসন আর শোষনে প্রতি পদে
এ বৃষ্টির রাত অনেক দীর্ঘ হোক— আমি চেয়েছি শুধু— তোমার চোখে এক ফোঁটা ঘুম হোক আমার ঘর, ঝরে পড়ুক বিনা দোষের অন্তর্লিখিত পঙ্ক্তিমালা। জল ডোবা শহরে দীর্ঘ হোক কবিতার খাতায়
তোর চোখে চোখ দেখে যে মন পড়ে নিতে পারে তাকে এককথায় বলা যেতে পারে অন্তর্যামী। চোখের ভিতর যে স্বপ্ন দেখে তাকে ‘ভাবনার ভিতর একটু আলো’ বললেও দোষ হয় না। চোখ
নিঃশ্বাস সারা দিন তোমায় ভেবে ভেবে হই আমি উদাস, তুমি ভুল বুজনা প্রিয়া আমায় তোমাতেই বারো মাস। আমি তোমার সারাদিনের ক্লান্তিহীন নিশ্বাস।। তুমি সাতলার বিলের লাল শাপলার ফুল তুমি আমার
ভুলের মাশুল যদি জানতে চাও কি ব্যথা জমেছে এই বুকে , খাঁচায় পোষা ঐ পাখিটার কাছে জেনে নিও । যদি দেখতে চাও কতটুকু জল ঝরেছে এ দু’টো চোখে , বিলের
মনে কি পড়ে নবান্নের এইদিনে? পূরবী, তোমার কি মনে পড়ে গত সনে এই দিনে ঠিক এইক্ষণে, কনকনে শীতের বিষন্ন সন্ধ্যারাতে অঝোর ধারায় ঝরেছিল কিছু বেদনার দানা শোণিত প্রবাহে বাম কবজের
ঘুম-স্বপ্ন-কবিতা অপূর্ব তুমি ঘুমাও কখন? বিথীকা, আমি ঘুমাই না আমার দু’চোখে ঘুম আসে না আমি পৌরাণিক এক জীব। ঘুমেও আমি শুধু স্বপ্ন দেখি, এই যে এই কবিতাটি লিখছি; এখন অন্ধকার
গ্রামীণ জীবনের শীত শীত এল ধীরে, নরম কুয়াশার চাদর মেলে, ধূসর ভোরে কাঁপে মাঠের শিশিরভেজা খেল। ধানের খড়ে জ্বলে আগুন, উঠোনে ধোঁয়ার ঢেউ, বৃদ্ধ কৃষক কাঁধে গামছা, টানেন জীবনের নৌ।
নিরব শত্রুতা নিরব এক যুদ্ধ চলছে প্রতিদিন, হাসির আড়ালে বিষণ্ণতা, মিথ্যার বিনিময় রিনিঝিন, চোখে চোখ রেখে যত মমতার কথা, ভেতরে লুকিয়ে কত হিসাব কত অচেনা ক্রোধ, কত নিঃশব্দ প্রহার। এ