নিঃশ্বাস সারা দিন তোমায় ভেবে ভেবে হই আমি উদাস, তুমি ভুল বুজনা প্রিয়া আমায় তোমাতেই বারো মাস। আমি তোমার সারাদিনের ক্লান্তিহীন নিশ্বাস।। তুমি সাতলার বিলের লাল শাপলার ফুল তুমি আমার
ভুলের মাশুল যদি জানতে চাও কি ব্যথা জমেছে এই বুকে , খাঁচায় পোষা ঐ পাখিটার কাছে জেনে নিও । যদি দেখতে চাও কতটুকু জল ঝরেছে এ দু’টো চোখে , বিলের
মনে কি পড়ে নবান্নের এইদিনে? পূরবী, তোমার কি মনে পড়ে গত সনে এই দিনে ঠিক এইক্ষণে, কনকনে শীতের বিষন্ন সন্ধ্যারাতে অঝোর ধারায় ঝরেছিল কিছু বেদনার দানা শোণিত প্রবাহে বাম কবজের
ঘুম-স্বপ্ন-কবিতা অপূর্ব তুমি ঘুমাও কখন? বিথীকা, আমি ঘুমাই না আমার দু’চোখে ঘুম আসে না আমি পৌরাণিক এক জীব। ঘুমেও আমি শুধু স্বপ্ন দেখি, এই যে এই কবিতাটি লিখছি; এখন অন্ধকার
গ্রামীণ জীবনের শীত শীত এল ধীরে, নরম কুয়াশার চাদর মেলে, ধূসর ভোরে কাঁপে মাঠের শিশিরভেজা খেল। ধানের খড়ে জ্বলে আগুন, উঠোনে ধোঁয়ার ঢেউ, বৃদ্ধ কৃষক কাঁধে গামছা, টানেন জীবনের নৌ।
নিরব শত্রুতা নিরব এক যুদ্ধ চলছে প্রতিদিন, হাসির আড়ালে বিষণ্ণতা, মিথ্যার বিনিময় রিনিঝিন, চোখে চোখ রেখে যত মমতার কথা, ভেতরে লুকিয়ে কত হিসাব কত অচেনা ক্রোধ, কত নিঃশব্দ প্রহার। এ
পূর্বপুরুষ আমার বাড়ি পরিচিত তরুফ উল্লাহর নামে, মোদের আবাস গড়ে গেছেন পরিশ্রম আর ঘামে। হয়তো তাহার ছিলো একখান জীর্ন-শীর্ন কুটির, দেয়ালগুলো ছিলো হয়তো ছনের কিংবা মাটির। আটটি তাহার ছেলে ছিলো
প্রেশানি দৌড়ে উঠতে মেট্রোরেলে শ্বাস হয়ে যায় ঘন ভয় মনে মোর দেরি হলে বস হবে যে বুনো! হঠাৎ দেখি এক ভদ্রলোক মেট্রোরেলে উঠে জোড়ে জোড়ে শ্বাস নিতে নিতে ফ্লোরে পড়ল
মা আয় ছেলেরা,আয় মেয়েরা মামা বাড়ি যাই, কেমনে যাব মামা বাড়ি,মামাইতো মোর নাই। মায়ের গন্ধ খালার গায়ে শুনেছি যায় পাওয়া কেমনে পাব খালার গন্ধ,খালাওতো মোর হাওয়া। একটা মাত্র ভাই ছিল
আপণ-পর আগের মতো ভাদ্রা জাম দেখিনাতো আর, বেতের ঝাড় আর বেতফল খুজে পাওয়া ভার। ডাহুকেরা ডাকেনা আর জঙ্গল-ঝোপের ধারে, মাছরাঙা আর বাঁধেনা বাসা দক্ষিন পুকুর পাড়ে। বাড়ি বাড়ি কুটিয়ালি হারিয়েছে