গুরু_শিষ্যের_সংলাপ ————– হাজার কোটি টাকার মালিক ক্যামনে হবো গুরু? পথের দিশা দেন গো গোসাঁই সেই কাজ করবো শুরু। গোসাঁই বলেন—-তপধ্যানে কর্ম করে যাবে, তবেই বৎস তোর অভিলাষ পূর্ণতার রূপ পাবে।
মহুয়ার মাদকতা দুরন্ত দুপুর সবুজ ডুমুর শুষ্ক বুক কুয়াশা-কাতর ভোর শিউলির স্নিগ্ধ সুর পরতে পরতে নন্দনকানন প্রস্ফুটিত মহুয়া নির্যাস মাদকতায় দেহবিভা সৃষ্টিতে সুখ। মৌমাছির বার্তা নীলগিরি পাহাড়ের পথে পথে বিশ্বভূমির
পথ চলতে ————– জীবনের পথে চলতে চলতে হঠাৎ যদি কখনও চকিতে দেখা হয় তোমার সঙ্গে। তখনও কি তুমি এমনি করে মুখ ফিরিয়ে থাকবে হে আমার প্রিয় ক্ষণিকের জন্যও কি চাইবে
শরৎ পূর্ণিমায় কাজী নাজরিন পাশাপাশি বসে বিকেলের জ্যোৎস্না স্নানে মত্ত ছিলাম তুমি আর আমি মনে পড়ে তো, সেই মিষ্টি বিকেলের মিষ্টি রোদের লুকোচুরি খেলা কাশফুলের দোল খাওয়া দেখতে দেখতে বিকেলটা
দিন কেটেই যায় এখন বুঝি শিউলি ফোটার দিন! কদমের দিন কী গত হয়ে গেছে…? তাই বুঝি ভ্যাপসা গরমে ভাদ্রের লু হাওয়া ঘর্মাক্ত শরীর কেবলই ছুঁয়ে ছুঁয়ে বয়ে যায়! হয়ত বিলের
সংস্কার সন্ত্রাস তার নাম বদল করে রেখেছে বিপ্লব বিপ্লব এখন দাবড়ে বেড়ায় ৫৫,৫৯৮ বর্গমাইল। সুজলা সুফলা দেশে বর্গীরা এসেছে পরিযায়ী বেশে। কবি বুক চাপড়ে চাপড়ে লেখেন মনের খেদ… লুটেরার দল
—–নিঃশব্দ প্রতিধ্বনি—– তোমার কথাহীন ভাষায় আমি শুনি ভালোবাসার গভীরতম সুর, যেখানে হৃদয়ের না বলা সব কথা আমার প্রাণে বেজে ওঠে পুর। তোমার নিঃশ্বাসে আমি পাই একটা আশ্রয়, একটা ঘর, যেখানে
*রক্তক্ষরণ* পিঞ্জরে বেধোনা হৃদয় বাঁচবো কেমন করে, তুমি যে মোর সওদা ওগো থাকবে আপণ ঘরে। শৈশব থেকে খুঁজেছি তোমায় বছর বছর ধরে, সকল হাসি সকল কান্না সব তোমারই তরে। কত
খিটখিটে দাড়িয়ে দাড়িয়ে হেলেদুলে অফিসে আসা-যাওয়া করি মেট্রোরেলে। কখনো দেখি হাতাহাতি,কখনো বাকযুদ্ধ, একা একা মুচকি হাসি,কখনো হই মুগ্ধ। কখনো কখনো একটু আধটু বসার সুযোগ পেলে, মনটা আমার বেজায় খুশি, দুঃখ-কষ্ট
বিজয়ের আলো ও অশ্রু রক্তস্নাত সকাল জাগে, সূর্যের কিরণ, মাটি বলে, “আজ বিজয় আমার চিরন্তন।” পাখির গান, নদীর কলতান, বলে, “এ দেশ আজ স্বাধীন, পূর্ণ প্রাঙ্গণ।” সেদিনের লাল-সবুজ পতাকা, তুলেছিল