আবার আসিবে ছোট কবি মির জামাল অগণিত আঁধারের মাঝেও আমি আজ খুঁজে ফিরি, সে কোন নতুন ভোর, যা সকল বিষাদকে চুরি করবে। যে ভোরে জাগবে সকল ঘুমন্ত আশা, যে সুরে
জাগো জাগো আঁধারের বুক চিরে উচ্চারিত হয় ভাস্কর-মন্ত্র, মহাকালের পবিত্র ঘন্টাধ্বনি বাজে শঙ্খনিনাদে। মৃত্যুর বুক ভেদ করে জেগে ওঠে অমোঘ জীবন, মহাশক্তি ধ্বনিত হোক—আকুল, ব্যথিত হৃদে। ভক্তির ফুলে, ধূপের গন্ধে,
সূর্যের কাছে অন্ধকার ভিক্ষা একদিন সূর্যের কাছে মানুষ অন্ধকার ভিক্ষা করবে, আলোর বোঝা বইতে বইতে ক্লান্ত হয়ে পড়বে হৃদয়। তপ্ত আকাশ আর রঙিন ভোরে দেখবে না কেউ ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি— আলো
মন আমার ঈগল পাখি “””””””””””””””” আমি ঈগল পাখি হব চাঁদ, তারা আকাশ অনেক তো হলাম মেঘের পালকি চড়ে ভাসলাম, সাগরের নোনা জলে পা ডোবালাম, ঝিনুক মুক্তা সব হয়েছি নদীর ঢেউয়ে
একটি প্রেমের কবিতা একজন যখন হারায় অন্য জনকে কাঁদায়। চলে যেতে যেতে রেখে যায় পথে শিউলী বকুল মালা সে মালা কুড়িয়ে বুকে জড়িয়ে কাঁদে কুসুমিত সেই বালা। হৃদয় মাঝে থেকে
নীরবতা কিছু শব্দের ভিড়ে হারিয়ে যায় হৃদয়, নীল নীরবতার ডাকে শান্তি মিলে… কোলাহলের বাঁধন খুলে এক পলকে, চুপচাপ সময় থামে যায় স্বপ্নের রঙে। নীরবতার নেই কোন দুঃখ, কষ্ট,বেদনা. তবুও বুকে
অম্লান স্মৃতি মাঝে মাঝে এক একটা উদ্ভ্রান্ত মনস্তাত্ত্বিক খেয়ালিপনা প্রতিনিয়ত আমার মাথায় এসে ভর করে, কিন্তু কেনো— কি তার কারন, আমি আজও তার সত্যিকারের কোনো রহস্য উদঘাটন করতে পারিনি। কতো
অবর্ষা অবর্ষা লেগেছে আজ চাঁদের গ্রহণে, দৈত্য-কালো মেঘ উড়ে যায় শরৎ-আকাশে। থিকথিকে কাদা-দুঃখ মায়ের আগমনী গানে, দুপুরের ভিজে যাওয়া রোদ কাঁদে দিনমণি-আশে। মাঠের সোনালি ধান ঝরে যায় ঝড়ো বাতাসে, অকাল
মাটির গন্ধ অসীমের পানে কতদূর ছুটলো সীমাবদ্ধ মানুষ! সময়ের ঘূর্ণিতে হারিয়ে গেছে পথ, কিন্তু আমি উঠোনে ঘাসের পাতায় জমে থাকা শিশিরে আজও মুখ ডুবিয়ে রাখি। শালুকপাতার মতোই কাঁপা কাঁপা সেই
হারানো দিন আমাদের উত্তরধারে, এখনো কি বকেরা বাসা বাধে বাঁশঝাড়ে? এখনো কি পাখির কিচিরমিচির শব্দে মুখরিত হয় সন্ধ্যাবেলা? এখনো কি চাঁদনি রাতে শিশুরা খেলে লুকোচুরি খেলা? দক্ষিণধারে তালগাছে বাদুর কি