পূর্বপুরুষ আমার বাড়ি পরিচিত তরুফ উল্লাহর নামে, মোদের আবাস গড়ে গেছেন পরিশ্রম আর ঘামে। হয়তো তাহার ছিলো একখান জীর্ন-শীর্ন কুটির, দেয়ালগুলো ছিলো হয়তো ছনের কিংবা মাটির। আটটি তাহার ছেলে ছিলো
প্রেশানি দৌড়ে উঠতে মেট্রোরেলে শ্বাস হয়ে যায় ঘন ভয় মনে মোর দেরি হলে বস হবে যে বুনো! হঠাৎ দেখি এক ভদ্রলোক মেট্রোরেলে উঠে জোড়ে জোড়ে শ্বাস নিতে নিতে ফ্লোরে পড়ল
মা আয় ছেলেরা,আয় মেয়েরা মামা বাড়ি যাই, কেমনে যাব মামা বাড়ি,মামাইতো মোর নাই। মায়ের গন্ধ খালার গায়ে শুনেছি যায় পাওয়া কেমনে পাব খালার গন্ধ,খালাওতো মোর হাওয়া। একটা মাত্র ভাই ছিল
আপণ-পর আগের মতো ভাদ্রা জাম দেখিনাতো আর, বেতের ঝাড় আর বেতফল খুজে পাওয়া ভার। ডাহুকেরা ডাকেনা আর জঙ্গল-ঝোপের ধারে, মাছরাঙা আর বাঁধেনা বাসা দক্ষিন পুকুর পাড়ে। বাড়ি বাড়ি কুটিয়ালি হারিয়েছে
আবার আসিবে ছোট কবি মির জামাল অগণিত আঁধারের মাঝেও আমি আজ খুঁজে ফিরি, সে কোন নতুন ভোর, যা সকল বিষাদকে চুরি করবে। যে ভোরে জাগবে সকল ঘুমন্ত আশা, যে সুরে
জাগো জাগো আঁধারের বুক চিরে উচ্চারিত হয় ভাস্কর-মন্ত্র, মহাকালের পবিত্র ঘন্টাধ্বনি বাজে শঙ্খনিনাদে। মৃত্যুর বুক ভেদ করে জেগে ওঠে অমোঘ জীবন, মহাশক্তি ধ্বনিত হোক—আকুল, ব্যথিত হৃদে। ভক্তির ফুলে, ধূপের গন্ধে,
সূর্যের কাছে অন্ধকার ভিক্ষা একদিন সূর্যের কাছে মানুষ অন্ধকার ভিক্ষা করবে, আলোর বোঝা বইতে বইতে ক্লান্ত হয়ে পড়বে হৃদয়। তপ্ত আকাশ আর রঙিন ভোরে দেখবে না কেউ ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি— আলো
মন আমার ঈগল পাখি “””””””””””””””” আমি ঈগল পাখি হব চাঁদ, তারা আকাশ অনেক তো হলাম মেঘের পালকি চড়ে ভাসলাম, সাগরের নোনা জলে পা ডোবালাম, ঝিনুক মুক্তা সব হয়েছি নদীর ঢেউয়ে
একটি প্রেমের কবিতা একজন যখন হারায় অন্য জনকে কাঁদায়। চলে যেতে যেতে রেখে যায় পথে শিউলী বকুল মালা সে মালা কুড়িয়ে বুকে জড়িয়ে কাঁদে কুসুমিত সেই বালা। হৃদয় মাঝে থেকে
নীরবতা কিছু শব্দের ভিড়ে হারিয়ে যায় হৃদয়, নীল নীরবতার ডাকে শান্তি মিলে… কোলাহলের বাঁধন খুলে এক পলকে, চুপচাপ সময় থামে যায় স্বপ্নের রঙে। নীরবতার নেই কোন দুঃখ, কষ্ট,বেদনা. তবুও বুকে