একই শহরে বহু দূরে একই শহরের কোল ঘেঁষে হাঁটি প্রতিদিন পথের ধুলো চেনে পা, মন চেনে স্মৃতি। যে বেঞ্চে বসে থামত আমাদের দুই দিন সেখানে আজ সময় রাখে না কোনো
আমরা তো অল্পে খুশি, কী হবে দুঃখ করে? আমাদের দিন চলে যায় সাধারণ ভাতকাপড়ে। চলে যায় দিন আমাদের অসুখে ধারদেনাতে রাত্তিরে দুভায়ে মিলে টান দিই গঞ্জিকাতে। সবদিন হয়না বাজার, হলে
মুড অফ সিরিয়াসলি বলছি— আজ শব্দেরা দরজা বন্ধ করে রেখেছে। তোমার নামের উচ্চারণটুকুও আমার ভেতরের নিঃশব্দ ঘরে ঢুকতে পারছে না। মুড যেন একটি ভাঙা লন্ঠন, যার সলতে ভিজে আছে ক্লান্তির
📖 খোঁজ নেও এখানে ছায়া পড়েছে শীতলতা অনুভব করছিলে! কিন্তু, ওখানে ত ছায়ার মাধ্যমটি খরতাপে ঝলসে যাচ্ছে- সে’ই খবর কী রাখ ? এপারে বসে ভাবছো, ওপারে খুব সুখ ! ভাবনা
কবিতা-ডাকাতিয়া নদী. এই ত জেলা চাঁদপুরের বুকের উপর দিয়া কালো জলের স্রোত বইয়া যাইত ডাকাতিয়া এই যে নদীর গা ঘেঁষিয়া বসত কত হাট এক পাশে তার গাঁয়ের পথ অন্য পাশে
রং পিপাসা ভীষণ রঙিন সাজে আজ সবুজ স্বদেশ। একটু একটু করে রং ঢালে বসন্ত পাতায় বুকে তাঁদের অশান্ত উড়ে যাবার ভয়। আকাশের নীলাভ কোমলতা অদ্ভূত দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে বাতাসে খসে
অপেক্ষা তোমাদের সাথে দেখা হবে বলে অপেক্ষায় থাকি, শিশিরের জল পায়ে হেঁটে যাই ঘোরলাগা রাতে,গাঢ় ঘুমে জেগে থাকে অসমাপ্ত রাত।প্রতিবেশী একখন্ড ভোরের জন্য উন্মুখ থাকি সারাটা প্রহর! কখন যে দেখা
শিশির বিন্দু ক্ষণিকের জন্য এলে মায়ায় জড়িয়ে, সবাইকে কাঁদিয়ে, আচমকা চলে গেলে। তোমায় হারিয়ে বিমর্ষ মন অজান্তেই তোমায় খুঁজে সারাক্ষণ, তুমি আজ দূর আকাশের তারা, তোমায় ছাড়া, স্বজন যারা নিদ্রাহীন,
অবেলায় মানুষের কষ্টগুলো ঝরে যায় , বসন্ত ফুলের মতো। ভোর হলেই ক্ষতচিহ্নের দাগ লেগে থাকে রাজহংসের কপালে। মহাকাশের প্রজ্বলিত উল্কার ওপিঠ জানতে চায়না একটু একটু করে অন্ধকারের গভীরতা আজ কতটুকু।
টেস এক আগুনের মেয়ে তোমার দেহ এক মানচিত্র যেখানে পুরুষেরা যুদ্ধ এঁকে যায় আর তুমি শুধু মাটি, জরায়ুর ভেতর ঘুমিয়ে থাকা এক নক্ষত্র। তারা বলে- তুমি পাপ। তোমার ত্বক তাদের