উপসম আমি আর ভালোবাসার কাঙাল নই, নিজেকেই ভালোবাসতে শিখে গেছি। বাক্য ব্যাঞ্জনে সত্যি মিথ্যের তফাৎ করতে শিখে গেছি। ‘অ’ আদ্য অক্ষরের শব্দগুলোকে নিয়ে, আগের মতো আর সোরগোল করি না.. বরং
মেয়েটার গল্প মাঝেমধ্যে দেখা হতো ছেলেটার সে হেঁটে হেঁটে স্কুলে যেতো মেয়েটা ধুলো কুড়িয়ে রাখতো তার কোছরে। মেয়েটার একটা মস্তবড়ো ধুলোর পাহাড় হল সেখানে প্রতিদিন সূর্য ওঠে, দুপুর হয়, সন্ধ্যা
ইচ্ছা শক্তি করি জাগ্রত অসম্ভব কে সম্ভব করতে দেখেছি দেখেছি ইচ্ছা শক্তি ধীর হলে কখনোই তা টলে না দেখেছি অজস্র ফুটে থাকা ফুল মৃদু বাতাসে বিদ্ধস্ত হয়ে পতিত হতে
শেষের নীরবতা ভালোবাসা কখনো মরে না— কেবল ধীরে ধীরে তার আলো কমে আসে, যেন সন্ধ্যার পর চেনা ঘর অচেনা অন্ধকারে ঢেকে যায়। একসময় যে দু’জন মানুষ একই স্বপ্নের দিকে তাকিয়ে
অপেক্ষার বরদান যখন মনে হয়—সব হারিয়ে গেছে, হৃদয়ের আঙিনায় নামে নিঃস্বতার ছায়া। হাতের মুঠোয় থাকে না কোনো ভরসা, চারদিকে শুধু ভাঙনের ধূসর মায়া। তখন প্রকৃতি নীরবে বলে ওঠে কথা,
কথা হয় না বহুকাল সেই যে কথা দিয়েছিলে কথা হবে এর পর আর কখনো কথা বলা হয়ে উঠেনি। তুমি হয়ে উঠো ব্যাস্তময়। ব্যাস্ততা আঁকড়ে ধরে তোমায় নিদারুণভাবে। কথা হয় না
***প্রেম*** এবার আশ্বিন এলে আমরা খুব, খুব সকালে বনবাদাড়ে ঘুরে বেড়াব; দুপুর কাটবে উচ্ছ্বাসে; সন্ধ্যে হলে মুখে ফোটবে হাসি; পাখি হব; বাসমতী ধান, ঢেউয়ে ভেজা গন্ধে তার স্নান করব; উত্তরে
অনিরুদ্ধ যে মানুষ বাতাসের বিপরীতে ঘুড়ি উড়িয়ে পার করে দেয় তার সোনালী সকাল, রোদেলা দুপুর; সে মানুষ জীবনের সাঁঝবেলা কারো কাছে মাথা নোয়াতে পারেনা। পাথর থেকে পানি ঝরানো যেতে পারে,
এ এক অন্য রকম প্রেম কিছু মানুষ দূরে থেকেও খুব কাছে থেকে যায় চোখের কান্না হয়ে বুকের ব্যথা হয়ে। থেকে যায় খুব গোপনে স্বযন্তে হৃদয়ের কোনে না তাকে বলা
প্রার্থনা অন্তরে তুমি রয়েছো হে প্রভু তুমি অন্তর্যামী , কখনো তোমায় ভুলে নাহি যাই না ভুলো আমায় তুমি । কত পাপ তাপ করেছি জীবনে ক্ষমা করো দীননাথ , যে পথে