অম্লান স্মৃতি মাঝে মাঝে এক একটা উদ্ভ্রান্ত মনস্তাত্ত্বিক খেয়ালিপনা প্রতিনিয়ত আমার মাথায় এসে ভর করে, কিন্তু কেনো— কি তার কারন, আমি আজও তার সত্যিকারের কোনো রহস্য উদঘাটন করতে পারিনি। কতো
অবর্ষা অবর্ষা লেগেছে আজ চাঁদের গ্রহণে, দৈত্য-কালো মেঘ উড়ে যায় শরৎ-আকাশে। থিকথিকে কাদা-দুঃখ মায়ের আগমনী গানে, দুপুরের ভিজে যাওয়া রোদ কাঁদে দিনমণি-আশে। মাঠের সোনালি ধান ঝরে যায় ঝড়ো বাতাসে, অকাল
মাটির গন্ধ অসীমের পানে কতদূর ছুটলো সীমাবদ্ধ মানুষ! সময়ের ঘূর্ণিতে হারিয়ে গেছে পথ, কিন্তু আমি উঠোনে ঘাসের পাতায় জমে থাকা শিশিরে আজও মুখ ডুবিয়ে রাখি। শালুকপাতার মতোই কাঁপা কাঁপা সেই
হারানো দিন আমাদের উত্তরধারে, এখনো কি বকেরা বাসা বাধে বাঁশঝাড়ে? এখনো কি পাখির কিচিরমিচির শব্দে মুখরিত হয় সন্ধ্যাবেলা? এখনো কি চাঁদনি রাতে শিশুরা খেলে লুকোচুরি খেলা? দক্ষিণধারে তালগাছে বাদুর কি
গুরু_শিষ্যের_সংলাপ ————– হাজার কোটি টাকার মালিক ক্যামনে হবো গুরু? পথের দিশা দেন গো গোসাঁই সেই কাজ করবো শুরু। গোসাঁই বলেন—-তপধ্যানে কর্ম করে যাবে, তবেই বৎস তোর অভিলাষ পূর্ণতার রূপ পাবে।
মহুয়ার মাদকতা দুরন্ত দুপুর সবুজ ডুমুর শুষ্ক বুক কুয়াশা-কাতর ভোর শিউলির স্নিগ্ধ সুর পরতে পরতে নন্দনকানন প্রস্ফুটিত মহুয়া নির্যাস মাদকতায় দেহবিভা সৃষ্টিতে সুখ। মৌমাছির বার্তা নীলগিরি পাহাড়ের পথে পথে বিশ্বভূমির
পথ চলতে ————– জীবনের পথে চলতে চলতে হঠাৎ যদি কখনও চকিতে দেখা হয় তোমার সঙ্গে। তখনও কি তুমি এমনি করে মুখ ফিরিয়ে থাকবে হে আমার প্রিয় ক্ষণিকের জন্যও কি চাইবে
শরৎ পূর্ণিমায় কাজী নাজরিন পাশাপাশি বসে বিকেলের জ্যোৎস্না স্নানে মত্ত ছিলাম তুমি আর আমি মনে পড়ে তো, সেই মিষ্টি বিকেলের মিষ্টি রোদের লুকোচুরি খেলা কাশফুলের দোল খাওয়া দেখতে দেখতে বিকেলটা
দিন কেটেই যায় এখন বুঝি শিউলি ফোটার দিন! কদমের দিন কী গত হয়ে গেছে…? তাই বুঝি ভ্যাপসা গরমে ভাদ্রের লু হাওয়া ঘর্মাক্ত শরীর কেবলই ছুঁয়ে ছুঁয়ে বয়ে যায়! হয়ত বিলের
সংস্কার সন্ত্রাস তার নাম বদল করে রেখেছে বিপ্লব বিপ্লব এখন দাবড়ে বেড়ায় ৫৫,৫৯৮ বর্গমাইল। সুজলা সুফলা দেশে বর্গীরা এসেছে পরিযায়ী বেশে। কবি বুক চাপড়ে চাপড়ে লেখেন মনের খেদ… লুটেরার দল