রবিউল ইসলাম, (সিংড়া) প্রতিনিধি:
নাটোরের সিংড়ায় ১২ই রবিউল আউয়াল, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা:) উপলক্ষে সারা বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর মতো পুঠিমারী বাজারেও এক জাঁকজমকপূর্ণ জশনে জুলুছে ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (সা:) অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা:)-এর শুভাগমনকে স্মরণ করে সিংড়া উপজেলার পুঠিমারী বাজারের ওয়ারেছীয়া খানকা শরীফ থেকে এই জুলুসটি বের করা হয়।
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর এই জুলুসটি ছিল পুঠিমারী বাজারের এক অন্যতম আকর্ষণ। এই আয়োজনে নেতৃত্ব দেন হযরাতুল আল্লামা পীরে তরিকত, ফোকারায়ে ওয়ারেছ ও আওলাদে রাসুল (সঃ)- ইমাম সৈয়দ গোলাম ওয়ারেছ শাহ্ ওয়ারেছী (তারেক) মাদ্দা-জিল্লুহুল-আলী পীর কেবলা।
তাঁর নেতৃত্বে শত শত ধর্মপ্রাণ মুসলমান ‘ইয়া নবী সালাম আলাইকা’ ধ্বনিতে আকাশ-বাতাস মুখরিত করে তোলে।
জুলুসটি ওয়ারেছীয়া খানকা শরীফ থেকে শুরু হয়ে পুঠিমারী বাজারের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। অংশগ্রহণকারীরা নানা রঙে সজ্জিত পতাকা, ফেস্টুন, এবং ব্যানার নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে মিছিলে যোগ দেন। অংশগ্রহণকারী ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহানবীর শানে রচিত না’ত ও দরুদ শরীফ পাঠ করে এক পবিত্র পরিবেশ সৃষ্টি করেন।
জুলুস শেষে পীর কেবলা হযরত সৈয়দ গোলাম ওয়ারেছ শাহ্ ওয়ারেছী তাঁর বক্তব্যে ঈদে মিলাদুন্নবীর তাৎপর্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “মহানবী (সা:) হলেন মানবজাতির জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে এক রহমত। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করলে শান্তি ও সমৃদ্ধি অর্জন করা সম্ভব।” তিনি সবাইকে মহানবীর সুন্নাহ মোতাবেক জীবন যাপনের আহ্বান জানান।
১২ই রবিউল আউয়ালের এই মহান দিনে পুঠিমারী বাজারের জশনে জুলুছে ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (সা:) অনুষ্ঠানটি কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব ছিল না, বরং এটি ছিল মহানবী (সা:)-এর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই জুলুসটি সম্প্রীতি ও ভালোবাসার এক অসাধারণ বার্তা বহন করেছে। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় মুসলিম সমাজ নিজেদের ধর্মীয় চেতনা ও ঐক্যকে আরও দৃঢ় করেছে।
https://shorturl.fm/lh5Ve
https://shorturl.fm/8lSxN
https://shorturl.fm/0EwYy