শূন্যতার শীতল শৃঙ্খল॥ অশ্রুর অম্লান অণুতে অনুর্বর অরণ্য আঁধারে আচ্ছন্ন হয়ে থাকে, সেখানে আলো আসে না, আসে শুধু অবিরাম অবসাদের অদৃশ্য আবরণ। বুকের ভাঙা ভাষায় ব্যথার বহ্নি বয়ে চলে বারবার
মরণ মোর ,প্রিয়তমা, মরণ, হে মোর প্রিয়তমা , এসো হে ,এসো ,ওহে তিলোত্তমা , তব লাগি মোর হৃদয় দুয়ার খোলা! এই বাটে,মন মন্দিরে কখন পড়িবে তব চরণধুলা!! অনন্ত জীবন হাতে,দু’হাত
আমাদের যা শিখে যেতে হবে আমাদের যা শিখে যেতে হবে দূরত্ব ঘুচিয়ে যে কাছে আসতে জানে তার কোনো ডানা লাগে না, অন্যসব আবেগ পুড়িয়ে তাকে কখনো পাখি হতে হয় না,
দূরত্ব ঘুচিয়ে যে কাছে আসতে জানে তার কোনো ডানা লাগে না, অন্যসব আবেগ পুড়িয়ে তাকে কখনো পাখি হতে হয় না, তুমুল বর্ষণে দু’কূল ছাপিয়ে যাওয়া নদীর মতো বলতে হয় না—
তোমারে যে চাই অনেক কথা তোমাকে হয়নি বলা, যেমন শীতের শিশিরের কথা বলার আগেই শুকিয়ে যায়, তেমন আমারও কিছু ফুরিয়ে গেছে। ভেবেছি নিশীথ রজনী জাগে, মনে রেখ দুচোখের অতৃপ্ত আকুতি
উপসম আমি আর ভালোবাসার কাঙাল নই, নিজেকেই ভালোবাসতে শিখে গেছি। বাক্য ব্যাঞ্জনে সত্যি মিথ্যের তফাৎ করতে শিখে গেছি। ‘অ’ আদ্য অক্ষরের শব্দগুলোকে নিয়ে, আগের মতো আর সোরগোল করি না.. বরং
মেয়েটার গল্প মাঝেমধ্যে দেখা হতো ছেলেটার সে হেঁটে হেঁটে স্কুলে যেতো মেয়েটা ধুলো কুড়িয়ে রাখতো তার কোছরে। মেয়েটার একটা মস্তবড়ো ধুলোর পাহাড় হল সেখানে প্রতিদিন সূর্য ওঠে, দুপুর হয়, সন্ধ্যা
ইচ্ছা শক্তি করি জাগ্রত অসম্ভব কে সম্ভব করতে দেখেছি দেখেছি ইচ্ছা শক্তি ধীর হলে কখনোই তা টলে না দেখেছি অজস্র ফুটে থাকা ফুল মৃদু বাতাসে বিদ্ধস্ত হয়ে পতিত হতে
শেষের নীরবতা ভালোবাসা কখনো মরে না— কেবল ধীরে ধীরে তার আলো কমে আসে, যেন সন্ধ্যার পর চেনা ঘর অচেনা অন্ধকারে ঢেকে যায়। একসময় যে দু’জন মানুষ একই স্বপ্নের দিকে তাকিয়ে
অপেক্ষার বরদান যখন মনে হয়—সব হারিয়ে গেছে, হৃদয়ের আঙিনায় নামে নিঃস্বতার ছায়া। হাতের মুঠোয় থাকে না কোনো ভরসা, চারদিকে শুধু ভাঙনের ধূসর মায়া। তখন প্রকৃতি নীরবে বলে ওঠে কথা,