ছোট্ট রামিসার সেই নিষ্পাপ স্মৃতি আর তার বাবার বুকফাটা হাহাকার শুধু সাধারণ মানুষকে নয়, কাঁদিয়েছে পর্দার পেছনের তারকাদেরও। রূপালি পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা মিশা সওদাগর রামিসার বাবার কথাগুলো শুনে নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। ঢাকাই সিনেমার এই শক্তিমান অভিনেতা জানান, রামিসার বাবার প্রতিটি কথা শুনলে ভীষণ মায়া লাগে এবং এক বুক হাহাকার তৈরি হয়।
মিশা সওদাগর অত্যন্ত আক্ষেপ ও দরদ ভরা কণ্ঠে বলেন:
”এই সমাজে যে কথাগুলো আজ আমাদের সবার উচ্চকণ্ঠে বলা উচিত ছিল, যে সত্যগুলো আমাদের তুলে ধরা উচিত ছিল— সেই চরম সত্য আর কষ্টের কথাগুলো আজ রামিসার বাবা একাই বলে দিচ্ছেন। একজন বাবা হিসেবে তার এই অবর্ণনীয় কষ্ট সমাজ ও রাষ্ট্রের বিবেককে নাড়া দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।”
😭 “বাবা, তোমার ভুল হয়; আমার থেকে কোরআন শেখো”
মাত্র ৭ বছরের একটা শিশু, যে কি না মায়ের কষ্ট বুঝে ঘর ঝাড়ু দিত, থালা-বাসন ধুয়ে দিত। বাবার চুলে হাত বুলিয়ে দিয়ে বলত—
“বাবা, তোমার কোরআন পড়তে ভুল হয়, তুমি আমার থেকে শেখো।”
বাবার পকেটে লুকিয়ে রাখা সেই দিয়াবাড়ি যাওয়ার দুটি মেট্রো কার্ড আজও অক্ষত আছে, কিন্তু কার্ড ব্যবহার করার মতো সেই ছোট্ট পরীটা আজ আর দুনিয়ায় নেই। এই নি’র্মম বাস্তবতা মেনে নেওয়া যেকোনো বাবার পক্ষেই অসম্ভব। আর এই হৃদয়বিদারক দৃশ্য দেখে স্তব্ধ হয়ে গেছেন মিশা সওদাগরসহ পুরো দেশের মানুষ।
⚖️ আমাদের সমাজের এক বড় আয়না…
একটি নিষ্পাপ শিশুর অকাল চলে যাওয়া এবং তার পরিবারের এই আহাজারি আমাদের মনে করিয়ে দেয়— সন্তানের নিরাপত্তা এবং সুন্দর একটি ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা আজ কতটা জরুরি। রামিসার বাবার এই কান্না যেন প্রতিটি নাগরিকের মনের অব্যক্ত কথা।
নিষ্পাপ রামিসার পবিত্র আত্মা জান্নাতবাসী হোক। আর মিশা সওদাগরের মতো সমাজের সর্বস্তরের মানুষ যেভাবে এই শোকাতুর পরিবারের পাশে এসে দাঁড়াচ্ছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।
💬 একটি নিষ্পাপ শিশুর এমন অকাল চলে যাওয়া নিয়ে আপনার অনুভূ
Leave a Reply