—–নিঃশব্দ প্রতিধ্বনি—– তোমার কথাহীন ভাষায় আমি শুনি ভালোবাসার গভীরতম সুর, যেখানে হৃদয়ের না বলা সব কথা আমার প্রাণে বেজে ওঠে পুর। তোমার নিঃশ্বাসে আমি পাই একটা আশ্রয়, একটা ঘর, যেখানে
*রক্তক্ষরণ* পিঞ্জরে বেধোনা হৃদয় বাঁচবো কেমন করে, তুমি যে মোর সওদা ওগো থাকবে আপণ ঘরে। শৈশব থেকে খুঁজেছি তোমায় বছর বছর ধরে, সকল হাসি সকল কান্না সব তোমারই তরে। কত
খিটখিটে দাড়িয়ে দাড়িয়ে হেলেদুলে অফিসে আসা-যাওয়া করি মেট্রোরেলে। কখনো দেখি হাতাহাতি,কখনো বাকযুদ্ধ, একা একা মুচকি হাসি,কখনো হই মুগ্ধ। কখনো কখনো একটু আধটু বসার সুযোগ পেলে, মনটা আমার বেজায় খুশি, দুঃখ-কষ্ট
বিজয়ের আলো ও অশ্রু রক্তস্নাত সকাল জাগে, সূর্যের কিরণ, মাটি বলে, “আজ বিজয় আমার চিরন্তন।” পাখির গান, নদীর কলতান, বলে, “এ দেশ আজ স্বাধীন, পূর্ণ প্রাঙ্গণ।” সেদিনের লাল-সবুজ পতাকা, তুলেছিল
গরম ভাতের ধোঁয়ার গন্ধ অন্ধকার রাতে একঝাঁক তারা জেগে থাকে নিঃশব্দ সভায়, জ্যোৎস্নার অন্তরালে আলোচনায় মগ্ন— তাদের আকাশে নেই কোনো রাজনৈতিক সীমারেখা। তাদের অধিকারের জন্য লাগে না মিছিল, স্বাধীনতার নামে
অনুপ্রেরণার বাতিঘর রিয়াজ ওয়ায়েজ আলোর যাত্রী তিনি, স্নেহের মশাল হাতে,কোটি মানুষের হৃদয়ে যার বসোবাস। অন্ধকারের ভেতর থেকে জ্বালায় নতুন প্রভাতের আলো.. কথার ভেতরে আছে আস্থা, সুরের ভেতরে আছে শক্তি, তার
একটা গাছ রৌদ্রকে আটকে দেয়, কখনও ভেঙে টুকরো টুকরো করে ফেলে, ছায়ার চাদরে ঢেকে দেয় মাটির বুক, সোনার রশ্মি ফাঁক দিয়ে পড়ে, আলোর বিন্দু খেলে যায় চুপচাপ। শাখাগুলো আকাশের দিকে
কানকথা ~ কারো কারো সাথে গল্প করো কানকথা ভাসে তারা বলে আমায় নাকি ভালোবাস না আমি হাসি। তুমি ফোন দিলে আমি ধরি না তুমি ডাকলে আমি শুনিনি তোমার অভিমান আমি
ব্যান্ড সংগীত: “বেঁচে থাকাই বিজয়” [প্রথম স্তবক] অন্ধকারে ডুবে যাই, তবু আলো খুঁজি, ভাঙা স্বপ্ন, ভাঙা ডানা, তবু উড়তে চাই। হাজার ব্যর্থতা বলে—”তুই থেমে যা”, আমি উত্তর দিই—”এখনও শ্বাস বাকি!”
হৃদয়ের অনুভূতিতে তুই. তোকে দেখলেই যেন হৃদের গহীনে বিজলী চমকায় একরাশ মুগ্ধতা ঐ মায়া ভরা মুখটি থেকে চোখ ফেরানো যায় না মনে হয় সৃষ্টি কর্তার অপরুপ এক সৃষ্টি তুই। তুই