কথা হয় না বহুকাল সেই যে কথা দিয়েছিলে কথা হবে এর পর আর কখনো কথা বলা হয়ে উঠেনি। তুমি হয়ে উঠো ব্যাস্তময়। ব্যাস্ততা আঁকড়ে ধরে তোমায় নিদারুণভাবে। কথা হয় না
***প্রেম*** এবার আশ্বিন এলে আমরা খুব, খুব সকালে বনবাদাড়ে ঘুরে বেড়াব; দুপুর কাটবে উচ্ছ্বাসে; সন্ধ্যে হলে মুখে ফোটবে হাসি; পাখি হব; বাসমতী ধান, ঢেউয়ে ভেজা গন্ধে তার স্নান করব; উত্তরে
অনিরুদ্ধ যে মানুষ বাতাসের বিপরীতে ঘুড়ি উড়িয়ে পার করে দেয় তার সোনালী সকাল, রোদেলা দুপুর; সে মানুষ জীবনের সাঁঝবেলা কারো কাছে মাথা নোয়াতে পারেনা। পাথর থেকে পানি ঝরানো যেতে পারে,
এ এক অন্য রকম প্রেম কিছু মানুষ দূরে থেকেও খুব কাছে থেকে যায় চোখের কান্না হয়ে বুকের ব্যথা হয়ে। থেকে যায় খুব গোপনে স্বযন্তে হৃদয়ের কোনে না তাকে বলা
প্রার্থনা অন্তরে তুমি রয়েছো হে প্রভু তুমি অন্তর্যামী , কখনো তোমায় ভুলে নাহি যাই না ভুলো আমায় তুমি । কত পাপ তাপ করেছি জীবনে ক্ষমা করো দীননাথ , যে পথে
জীবনের সবচেয়ে বড় নাটকটা কি জানো? আমি প্রতিদিন অভিনয় করি— স্বাভাবিক থাকার, হেসে কথা বলার, সব ঠিক আছে বলে দুঃখ কষ্টকে আড়াল করি। আর অন্যদিকে, তোমাকে ভুলে যাবার নানান বাহানা
কবিতা :দুর্নীতিগ্রস্ত সংগঠন” কলমে: শাহজালাল বখতিয়ার লিটু তারিখঃ ১৩/১/২৬ ইতালী, রোম। তুমি সাহিত্য, সংস্কৃতির,সম্প্রীতির জন্য গড়ো সংগঠন। নামে নানে শত নামে সংগঠনের নীতি নাই, আদর্শ নাই বাড়াও কেন অঘটন? এটা
পাওয়া-না-পাওয়া না পেতে পেতে পাওয়াটা এখন নিরর্থক মনে হয় কারো কারো জীবনে না-পাওয়াটাই তার সৌভাগ্য। ভাগ্য বলে যে কিছু আছে অনেকে তা মানে না বরং বলে এটা কর্মফল আমি জানি
দিগন্তের গর্ভপাত সময়ের বন্ধ্যাত্ব যদি পথের অন্ধত্বের সঙ্গে সন্ধি করে, সেখানে সকল সম্ভাবনা সর্বনাশের দোসর হয়ে মরে— ঠিক যেমন আলো মরে যায় জানালার সামনে দাঁড়িয়েই, কারণ ভেতরের ঘর আলো সহ্য
🌌 ডিভাইসে বন্দি জীবন 🌌 সকাতর চোখে দেখি- ঝলমলে ডিজিটাল পর্দার মায়াজাল কেমন করে নিঃশব্দে, ধীরে ধীরে আমাদের সন্তানদের টেনে নিচ্ছে দূরে। পরিবারের গল্পে ভরা সন্ধ্যা, আর ছুটির দিনের নির্মল