বোহেমিয়ান সুখ – সুখকে কখনো পিছু টেনে ধরি না- সে আসে হঠাৎই দলবেঁধে, মূহুর্তেই সমস্ত ব্যর্থতাকে বুকের আঙিনায় জড়ো করে,তারপর একটা আধপোড়া সিগারেটের মতো নিভে আসে নিঃশব্দে। তুমি একদিন বলেছিলে—
উড়ো চিঠি তোমার সাথে কথা হয় না বহুদিন — তুমিও দাওনি দুটো চিঠি, দেখা হয় না এক বর্ষ যাবত। কীভাবে কেটে যাচ্ছে দিন ক্ষণ, তোমাকেই ভেবে ভেবে সারাক্ষণ। কি অদ্ভুত
অসামঞ্জস্য. প্রশ্ন করো যদি, ভালোবাসা রং এক অমোঘ, চাহিদার অমিল পদে পদে ঘর্ষণে উঠে বারুদ দগদগে ক্ষত বিক্ষত হৃদয় ! সরল থেকে বক্র- সরলে দাঁড়িয়ে অসামঞ্জস্য মলিন মিলন খেলা টলতে
এখন রেল সুন্দর এখন রেল বাজে না আর বেল। ঘন্টা কেনো দেয় না পোর্টার দরকারও নেই এখন ওটার। ইঞ্জিনের ঐ পুঁ-হুইসেল সময় হলে ছাড়ে রেল। আন্ত:নগর ট্রেনে চড়ে অল্প সময়
যদি প্রাণ টাকে মাঝেমাঝে মেঘের কাছে নিতে পারতাম বিমানে না চড়েই বাসার বারান্দায় দাঁড়িয়েই প্রাণ পাখিটাকে বুঝি আরো ভালোলাগতো তখন অনেক বড় তাকে হতে হতো আমার দেখার জন্য আমার অত
এই বাড়িটি সবার || পাঁচ ফেব্রুয়ারি, ভাঙলো যারা বঙ্গবন্ধুর বাড়ি তারাই ছিল দেশদ্রোহী, রাজাকার আনাড়ি এই বাড়িটি ছিল যে দেশের, স্মৃতিযাদুঘর তা ছিল বাংলাদেশের জন্মের আঁতুড়ঘর এ ঘরেই জন্মেছিল, আমাদের
..মফস্বলের শিলা.. দুপুর-সন্ধ্যা-সকালে ছুটাছুটি করতো যে মেলা, চাঁদপুর জেলার দাসাদী গ্রাম,মেয়েটির নাম শিলা। ধূলাবালি তাঁর তনুর সাথে সদা করতো আলিঙ্গন, ছুঁটে চলতো নদীর পাড়ে;যেথায়-সেথায় যেখানে চাইতো মন। বাদামী রঙের কেশ;এলোমেলো
বাবা সবার বাবাই যায় হারিয়ে একটা সময় পরে, অমানিশার আঁধার তখন নামে আলোর ঘরে। বুকের থেকে কলজে হারায় মাথার থেকে ছাদ, বাকি জীবন চলার পথে উচু নিচু খাঁদ। পথগুলো হয়
মায়া বৃদ্ধ হয় ভুলে যেতে চাইলে ভুলে যাওয়া যায়। যতটুকু ভুলে গেলে মানুষ হয় নিখোঁজ; ঠিক ততটুকুই ভুলে যাওয়া যায়। সকলেই কী আর কথা রাখে? স্মৃতি ছাড়া কিছু থাকে না।
তোমায় ছদ্মনামে জপি আমি একটি মেয়েকে নিয়ে রোজ করে কাব্য লিখি, আমার কাব্যের একমাত্র চরিত্র- আমার ভালোলাগার সেই মেয়েটি, যাকে ছাড়া আমার কাব্য প্রাণ পায় না মোটেই। আমার কাব্যে আমি