কি করে মিথ্যে হয় ভালো বাসতাম,যে তোমায় আমি প্রাণের চেয়েও বেশি, মন বলে যায় অজান্তে নিজের আজও তেমনই বাসি! সেই তুমি হলে অপরের ঘরনি রইছো বুঝিও সুখে, তুষের অনল জ্বলছে
ব্যথা ১ সব ঠিক আছে—বলতে বলতে শব্দগুলো আজ হয়ে গেছে মৃত কাঠের মতো, ভেতরে জেগে থাকে দমবন্ধ ঝড়, উন্মত্ত সমুদ্রের গভীর গর্জন মনের অদেখা উপকূলে আছড়ে পড়ে। তবুও মুখে হাসি
উদ্বাস্তুদের কান্না এমনি করে স্বপ্ন দেখেই একদিন শেষ হয় জীবনের যবনিকা…স্বপ্ন ঘরে ফেরে কফিনে মোড়া.. *উদ্বান্তু*- এক এই দেশ ওই দেশ উদ্বাস্তুদের কোনো দেশ নেই তবে গোলাভরা স্বপ্ন আছে স্বপ্ন
অনেকদিন পর আজকের প্যাচাল অনেক কিছুই লিখতে ইচ্ছে করে …আবার হটাৎ ই ইচ্ছেগুলো মরে যায়..যা লিখি বা লিখা হয় এই ফেসবুকের ‘পাতায়’ যার সবটাই ভাবাবেগ বা আবেগ… এই কিছুদিন আগে
//আত্ম উপলব্ধি// ইচ্ছে করলেই একবার খোঁজ নিতে পারতে; ভালোবাসায় নয়, মায়ার টানে। আমার এই অবরুদ্ধ প্রতিক্ষার অপূর্ণতার তৃষ্ণা আজও তোমার হৃদয়ে উদ্ভাসিত মায়ার আলো ছড়াতে পারেনি। জীবনের বাতিঘরে যে পরিপূর্ণতার
নিঃসঙ্গতা চেনা শহরে চেনা মানুষের ভিড়ে প্রতিনিয়ত স্বপ্নভঙ্গ, এক ছাদের নিচে বসবাস তবুও মানুষ কি অদ্ভুত নিঃসঙ্গ! এক টেবিলে পাশাপাশি বসেও খাওয়ার সময় হয়না কথা, চামচের টুংটাং শব্দের ফাঁকে এক
“অপেক্ষার উৎসর্গ” ইচ্ছে করলেই তো তুমি আমাকে তোমার নতুন কোনো কবিতার ভূমিকায়, শিরোনামে, অথবা স্মৃতির পাতায় এক চিরন্তন ছায়ায় রাখতে পারো। আমারও তো মাঝে মাঝে ইচ্ছে হয়, তোমার কোনো এক
থাকবে না কেউ, করো সম্পদ ডক্টর মহসিন আলী, নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র যে দিন আমি থাকবো না সে দিন কি কারো পরবে মনে আমার কথা কে কি ভাববে আমায় নিয়ে জানবো
প্রজন্মের পথ ——মো: মোশাররফ হোসেন তাঁরা একদিন ছিল প্রভাতের তরুণ সূর্য, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে গড়েছিল সভ্যতার প্রাসাদ। তাদের হাতেই শুরু হয়েছিল গেরস্থালি, জমেছিল ফল ফসলের সোনালী মাঠ, শিক্ষার আলো পৌছেছিল
“দামামা” আসমিরা খানম ভাগ্যের চাকা ঘুরছে গুরু কি দিয়ে আমি করবো শুরু? ধরাশায়ী মহাশক্তি কপালে উঠেছে ভূরু! যুদ্ধের দামামা বেজেছে রমরমা। কালো কালো ধোঁয়া যেন আকাশ ছোঁয়া, বিল্ডিং গুলো পুড়ছে